News

ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে ঠিকাদারকে অপহরণ করে নির্যাতন, গ্রেপ্তার ৬ | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

ব্যবসায়িক বিরোধের কারণে এক ঠিকাদারকে অপহরণ করে নির্যাতন করা হয়েছে এবং ছয় ব্যক্তি গ্রেপ্তার করা হয়েছে ব যবস য় ক ব র ধ - রাজধানী ঢাকার মিরপুর এলাকায়

Desk News
Published May 17, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ব্যবসায়িক বিরোধের কারণে এক ঠিকাদারকে অপহরণ করে নির্যাতন করা হয়েছে এবং ছয় ব্যক্তি গ্রেপ্তার করা হয়েছে

ব যবস য় ক ব র ধ – রাজধানী ঢাকার মিরপুর এলাকায় ব্যবসায়িক বিরোধের প্রভাবে একজন ঠিকাদারকে অপহরণ করে নির্যাতন ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ জেরে ছয় ব্যক্তি গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ ভুক্তভোগীকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং অপহরণে ব্যবহৃত জিপ গাড়িটি সহ মালামাল জব্দ করেছে।

টাকা ছিনতাই ও বেধড়ক মারধর

অপহরণকারীদের অভিযোগ অনুসারে, রাশেদুল ইসলাম (৪০) কে তার টেন্ডার না গ্রহণ করার কারণে নির্যাতনের শিকারি হন। তিনি সরকারি হাসপাতালে সরঞ্জাম সরবরাহকারী ঠিকাদার ছিলেন। গত ৮ মে সকালে কারওয়ান বাজারে আলোচনার সূত্রে তাকে কৌশলে কালো রঙের টয়োটা করোলা জিপ গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে আটকে রেখে লাঠি ও রড দিয়ে জোর করে মারধর করা হয়।

ভুক্তভোগীর ম্যানেজার শাহরাজ খান বলেন, আসামিরা রাশেদুলের কাছ থেকে নগদ ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও আনুমানিক ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের একটি স্যামসাং এস২৬ মোবাইল ফোন ছিনতাই করেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, সরকারি হাসপাতালে মালামাল সরবরাহের টেন্ডার সংক্রান্ত বিরোধে ঘটনাটি ঘটেছে। ঘটনাস্থল থেকে জসিম উদ্দিন (৪২), মনিরুজ্জামান মনির (৩৮) এবং আরিফ খান (২৯) গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে তাদের তথ্যের ভিত্তিতে নাহিদ ইসলাম (২২), রবিউল ইসলাম (৩০) এবং চালক জসিমকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলায় দিনাজপুর-৫ আসনে এনসিপির এমপি প্রার্থী ডা. আবদুল আহাদকে আসামি করা হয়েছে। মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান জানান, দিনাজপুরের একটি হাসপাতালে ভুক্তভোগীকে টেন্ডার জমা দিতে নিষেধ করা হয়। তবু তিনি টেন্ডার জমা দেওয়ায় তাকে অপহরণ করে নির্যাতন করা হয়।

স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করেছে। ঘটনার আগে এবং পরে বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত সংবাদের তালিকা অনুযায়ী ক্যাম্পাস, দেশগ্রাম, মাঠে ময়দানে ইত্যাদি বিভিন্ন পত্রিকার সময় তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

Leave a Comment