নাহিদ রানা বাবর আজমকে পুনরায় আউট করার বিষয়ে কথা বলেন
ব বরক ব রব র আউট কর – সিলেট টেস্টে বাবর আজম বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সামনে আসা হয়েছিল এবং তিনি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলেন একটি বড় হুমকি হিসেবে। দুর্দান্ত ছন্দে খেলা বাবরকে মুখোমুখি করে নাহিদ রানা তাঁকে অস্বস্তি বোধ করিয়ে দিয়েছিলেন প্রথম ওভারে সাফল্য অর্জন করে। এই সময়ে বাবর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য শট খেলেও নাহিদের সামনে ছিলেন একটি স্থায়ী অস্বস্তি।
২০২৪ সালে রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দুই টেস্টে নাহিদ রানা বাবরকে দুবার আউট করেছিলেন। চোটের কারণে এই সিরিজের প্রথম টেস্টে বাবর খেলতে পারেননি, কিন্তু দ্বিতীয় টেস্টে তিনি সম্পূর্ণ সময় পেয়ে তাঁর বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নেন। ৬৮ রানের ইনিংসে বাবর শটগুলি খুব ভালো ছিল, তবে নাহিদের বোলিং কাজে লেগেছিল।
নাহিদের সাফল্য সম্পর্কে পরিকল্পনা
তিন টেস্টে নাহিদ রানা করেছেন ৩৯ বল মোকাবিলা, কিন্তু বাবর কেবল ২২ রান করেছেন। বাবরের গড় নাহিদের বিপক্ষে ৭.৩৩ এ নেমে এসেছে। বিশ্বমানের ব্যাটসম্যানদের প্রতিবেশী বাবর আজম সবচেয়ে বেশি আউট হয়েছেন জশ হেইজেলউডের বলে। তিনি কোনও বিশেষ পরিকল্পনা ছাড়া খেলেছেন না।
আসলে প্রত্যেক ব্যাটসম্যানকে আউট করতেই মজা লাগে। কারণ প্রত্যেকটি উইকেটই আমার জন্য এবং আমার দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আপনি কোনও ব্যাটসম্যানকে বলে বলে আউট করতে পারবেন না যে, এই ব্যাটসম্যানটা ভালো ব্যাটসম্যান কিংবা বিশ্ব ক্রিকেটের বড় নাম… কখনও বলে বলে আউট করতে পারবেন না। আমি শুধু আমার প্রক্রিয়ার মধ্যে থাকার চেষ্টা করি এবং চেষ্টা করি যে কীভাবে পরিকল্পনার বাস্তবায়ন করে দলকে সহায়তা করা যায়।
নাহিদ রানা তাঁর আউটের আগের বলটির গতি ১৪৯ কিলোমিটার ছিল, কিন্তু উইকেট নেওয়া বলটির গতি কমিয়ে আসে ১৩৯ কিলোমিটার। গতির ভিন্নতার কারণে বাবর ফ্লিক করতে গিয়ে টাইমিংয়ে ভুল করেন এবং মিড-অনে ক্যাচ দেন। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কোয়ালিটি ব্যাটসম্যানকে কোয়ালিটি বোলিং করতে হয়… কিংবা যে কোনো ব্যাটসম্যানকে বোলিং করেন, আপনার পেসে কিংবা স্কিলে ভিন্ন কিছু এলে ব্যাটসম্যানরা অস্বস্তিতে পড়ে। আমি শুধু চেষ্টা করছি, কাজে লেগে গেছে।’
