বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপপরিচালক বরখাস্ত করা হয়েছে
আন ত ব শ বব দ য – আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণে অসহযোগিতা ও অবহেলার অভিযোগে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা দফতরের উপপরিচালক সেলিনা বেগম সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দাবির মুখে তদন্তের স্বার্থে এ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। রবিবার প্রকাশিত অফিস আদেশে এ বিষয় প্রকাশ করা হয়।
ম্যাচে অংশগ্রহণে অসমর্থনের অভিযোগ
গত ১৩ এপ্রিল চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপক্ষে ম্যাচ ছিল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের। কিন্তু অভিযোগ উঠেছিল যে দায়িত্বে অবহেলা ও অসহযোগিতার কারণে খেলোয়াড়রা মাঠে উপস্থিত থাকলেও ম্যাচে অংশ নিতে পারেনি। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণে অসমর্থনের অভিযোগে সেলিনা বেগম বরখাস্ত করা হয়। খেলোয়াড় ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের লিখিত অভিযোগে পর পর ছয় ঘণ্টার মধ্যে বরখাস্তের আলটিমেটামও জারি করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে এ ব্যবস্থা সংশ্লিষ্ট আইনের অধিকারে গ্রহণ করা হয়।
বিধি অনুযায়ী বরখাস্তের প্রক্রিয়া
বরখাস্ত করা হয় বিধি অনুযায়ী পরিচালিত তদন্তের ফলে। শারীরিক শিক্ষা দফতরের উপপরিচালক খেলোয়াড়দের অভিযোগে তার দায়িত্বে অবহেলা ও অসহযোগিতার অভিযোগ গৃহীত হয়। অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে বরখাস্তকালীন সময়ে খোরাকি ভাতা পাওয়া যাবে।
আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষমতার অভাব নিয়ে আলোচনা চলছে। বরখাস্ত করা হয়েছে খেলোয়াড়দের মুখে যে অভিযোগের ভিত্তিতে। এ ব্যবস্থা গ্রহণের পর খেলোয়াড় ও শিক্ষার্থীদের দাবি মেটানোর প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টের প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আগে থেকে সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী প্রক্রিয়া চালু করেছে। সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত বর্তমান শিক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ সমর্থন পেয়েছে। এ ঘটনায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিশ্রুতি করা হয়েছে যে পরবর্তীতে পরিস্থিতি সংশোধন করা হবে।
আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টে দায়িত্ব পালনের দাবি উঠেছে। খেলোয়াড়রা সেলিনা বেগমের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানায় যে তার ব্যবস্থা মাঠে সম্পূর্ণ নির্বিঘ্ন পরিচালনা বৃদ্ধি করতে সক্ষম ছিল না। সাময়িক বরখাস্তের ফলে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় দল দ্বারা তদন্তের জন্য প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।
