উন্নয়ন খাতের ৪০ ভাগ কৃষিতে বরাদ্দের দাবিতে সমাবেশ
উন নয়ন খ ত র ৪০ ভ – রংপুরে গতকাল সমাবেশের মূল দাবি হিসেবে উন্নয়ন খাতে কৃষি খাতের উন্নয়ন বরাদ্দের ৪০ ভাগ বরাদ্দ করা হয়েছে একটি মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশে প্রকাশ্যে আহ্বায়ক হিসেবে অংশগ্রহণ করেছে রংপুর জেলা সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রন্ট। এ সমাবেশে কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আবদুল কুদ্দুস এবং জেলা সাধারণ সম্পাদক অমল সরকার সংগঠনের দাবি তুলে ধরেন। সমাবেশ প্রাঙ্গণে সাধারণ সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদানের কর্মসূচি পালন করা হয়।
সমাবেশের মূল দাবি
সংগঠনের বক্তারা আরও বলেন যে বাংলাদেশের অর্থনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাত হলো কৃষি খাত। এখনো মোট শ্রমশক্তির কোনও অংশ কৃষি খাতে দিন যাচ্ছে না। এছাড়াও কৃষিতে উন্নয়ন বরাদ্দের ভাগ বৃদ্ধি করা দরকার। সেচ খরচ, সার এবং কীটনাশকের দাম বৃদ্ধি পেয়ে কৃষকদের সমস্যা বাড়ছে। এ অবস্থার মুখে উন্নয়ন খাতের বরাদ্দে কৃষি খাতের ৪০ ভাগ নিয়ে আলোচনা চাই।
কৃষি খাতের বরাদ্দ ও সমস্যাগুলো
সমাবেশে কৃষকদের উপর চাপ ও সংকট তুলে ধরা হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ছাড়াও মধ্যস্বত্বভোগী ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট কৃষি ফসলের দাম নিয়ন্ত্রণ করছে। কমদামে বিক্রি করতে বাধ্য করছে কৃষকদের উন্নয়ন খাতের ৪০ ভাগ বরাদ্দ করা দরকার। এছাড়া কৃষি উপকরণের দাম কমানো, সরকারি ক্রয়কেন্দ্র খুলে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ফসল ক্রয় করা ও শস্যবিমা চালু করা দাবি জানানো হয়।
উন্নয়ন খাতের বরাদ্দ কর্মসূচির অর্থ মন্ত্রণালয় বরাবর স্মারকলিপি প্রদানের মাধ্যমে বিএডিসিকে পূর্ণমাত্রায় কার্যকর করা হয়। কৃষি খাতে সংরক্ষণাগার, হিমাগার ও সাইলো স্থাপন করা দরকার বলে আরও আহ্বায়ক তুলে ধরা হয়। মোট শ্রমশক্তির ৪৪ ভাগ কৃষিতে যুক্ত থাকায় কৃষকদের মৌসুমী খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া বীজ ও সারের ভেজাল এবং কীটনাশকের দাম নিয়ন্ত্রণের দাবি প্রকাশ করা হয়।
আসন্ন বাজেটে উন্নয়ন খাতের কৃষি খাতে ৪০ ভাগ বরাদ্দ করা হয়েছে বলে জানানো হয়। কৃষকদের আবার দিশাহারা হয়ে পড়ছে বলে তাদের ধান আবাদে খরচ মণপ্রতি ১২০০ টাকা হয়েছে। কিন্তু দাম মাত্র ৭০০ থেকে ৮০০ টাকার মধ্যে থাকছে। সমাবেশে সংগঠনের কাছে সরকারকে পরিষ্কার বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে আহ্বায়ক হিসেবে আহ্বায়ক কমরেড আবদুল কুদ্দুস আবেদন জানান।
সমাবেশের মুখ্য দাবি হিসেবে উন্নয়ন খাতে কৃষি খাতের ৪০ ভাগ বরাদ্দ করা হয়। এটি কৃষকদের সমস্যা দূর করা এবং স্থায়ী প্রকৃতিসত্য বিনিয়োগ চাই। এছাড়া কৃষি উপকরণের দাম কমানো, কীটনাশকের ভেজাল বন্ধ করা, সংরক্ষণাগার খুলে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ফসল ক্রয় করা এবং শস্যবিমা চালু করা হিসেবে উন্নয়ন খাতের ৪০ ভাগ বরাদ্দের সংগঠনের দাবি জানানো হয়। সেচ খরচ ও সারের দাম কমানো দরকার।
সমাবেশের পর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিনের মাধ্যমে অর্থ মন্ত্রণালয় �
