ইরানের সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে: ট্রাম্প
ইর ন র সময় দ র ত – যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে জোর দিয়ে হুমকি দিয়েছেন, যে দেশের সামনে যুদ্ধবিরতি আলোচনা অবসান হয়েছে। তিনি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ ব্যবহার করে লিখেছেন, “ইরানের সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে।” তিনি বলেছেন, “তাদের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত, নাহলে তাদের আর কোনো কিছুই থাকবে না।”
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি কথা বলার সময়ে সতর্ক করে বলেন, “সময়টা এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।” ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জোর দিয়ে ঘোষণা করেছেন যে তেহরানের দাবিগুলো “দায়িত্বশীল” ও “উদার” ছিল। তবে তাদের দাবি ছিল সমস্ত ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধ করা, ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন নৌ-অবরোধ অব্যাহত রাখা এবং ইসরায়েলের হামলার প্রতিশোধ নেওয়া।
আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা সমীক্ষা করেছে
মেহের সংবাদ সংস্থা জানায়, ওয়াশিংটনের সামনে আলোচনায় অচলাবস্থা দেখা দিয়েছে। তিনি বলেছেন, যুদ্ধবিরতি আলোচনার সময় ইরানের দাবি ছিল সমস্ত ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধ করা। এ ছাড়া সেই দেশের বন্দরগুলোতে মার্কিন নৌ-অবরোধ কার্যত অব্যাহত রাখা এবং হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করা দাবি করেছে।
“ইরান যদি ২০ বছরের জন্য তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি স্থগিত রাখে, তবে তা মেনে নেওয়া যাবে।”
আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফারস রোববার জানিয়েছে, ওয়াশিংটনের পাঁচটি শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ইরানকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানোর শর্ত দেওয়া হয়েছে।
২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও মার্কিন বাহিনী ইরানের ওপর ব্যাপক বিমান হামলা শুরু করে। আলোচনার সুবিধার্থে ঘোষিত যুদ্ধবিরতি মধ্যে মধ্যে গোলাগুলি হলেও তা মেনে চলা হয়েছে। ইরান এখনো হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করছে। এ দ্বারা বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
ইরান অবসানের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার প্রতিশোধ নিতে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে তেলের দাম হু হু করে বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ অব্যাহত রেখেছে।
পাকিস্তান মধ্যস্থতা করছে
বিস্তর ব্যবধান রয়েছে বলে মনে হচ্ছে উভয় পক্ষের মধ্যে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে পাকিস্ত
