হামে প্রাপ্তবয়স্করাও আক্রান্ত হচ্ছে কেন?
হ ম প র প তবয়স – বাংলাদেশে রোববার পর্যন্ত হাম সংক্রমণে ৪৫৯টি শিশু মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু রাজধানী ঢাকাসহ কিছু অঞ্চলে প্রাপ্তবয়স্কদের হামে আক্রান্ত হওয়া খবর বর্তমানে দেখা দিয়েছে। কিছু হাসপাতালে বড়দের জন্য আলাদা আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে।
এই ঘটনার প্রতি বিশেষজ্ঞরা গুরুত্ব দিচ্ছেন। তারা বলছেন যে হাম শিশুদের প্রতি যে ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে তার সাথে প্রাপ্তবয়স্কদের অবস্থা বেশি স্থিতিশিল। কিন্তু এ কারণে তাদের উপর অবহেলা করা হচ্ছে না।
ভারী মৃত্যুহার নিয়ে চিন্তা জাগছে
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে ৫৮টিতে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। সংস্থাটি টিকার ঘাটতি এবং মৃত্যুহার বৃদ্ধির কারণে উদ্বিগ্ন। ঢাকার ডিএনসিসি ও কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে বয়স্কদের হামে আক্রান্ত হওয়া খবর প্রকাশিত হয়েছে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে রোগ ছড়ায়
স্বাস্থ্য বিভাগের উপপরিচালক সৈয়দ আবু আহাম্মদ শফি বলেন, প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণত শিশুদের তুলনায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি থাকে। তবে ক্যান্সার বা টিবি রোগে আক্রান্ত বা স্টেরয়েড ব্যবহারকারী বয়স্করা কম প্রতিরোধ ক্ষমতা প্রকাশ করেন।
“তবে বয়স্কদের মধ্যে হামে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নেওয়ার ঘটনা কম। যারা হামে আক্রান্ত হয়েছেন তাদের অবস্থা সাধারণত গুরুতর নয়। যথাযথ চিকিৎসায় তারা সেরে ওঠেন।”
রংপুরে শিশুদের চিকিৎসার জন্য মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল আইসোলেশন ওয়ার্ডে রোগীদের গ্রহণ করছে। তাদের সংখ্যা ছয় জন। ঢাকার বাইরে বড়দের মধ্যে হামে আক্রান্ত হওয়া খবর আগে ছিল না।
হার্ড ইমিউনিটি কমে রোগ ছড়ায়
অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির ভ্যাকসিন নলেজ প্রজেক্ট বলেছে যে এলাকার বেশিরভাগ মানুষের টিকা দেওয়া হলে রোগ ছড়াতে পারে না। কিন্তু এখন ব্যাপকভাবে সংক্রমণের কারণে তা কার্যকর হচ্ছে না।
তাই হামের ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। নবজাতক, বড়দের এবং টিকা পাওয়া সম্ভব না হওয়া রোগীদের মুক্তি ঘটে না। এখন বড়দের জন্য সম্প্রতি আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে।
তারিখে টিকা দান বিস্তার হয়েছে
সরকার নতুন করে হামের টিকা ব্যাপকভাবে খাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। আগামী মাসে ভিটামিন এ টিকা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। আগে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচিতে শিশুদের টিকা দেওয়া হতো ৯ মাসে। এখন সেটি ৬ মাসে কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।
গত পনেরই মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট প্রায় ৫৮ হাজার সন্দেহজনক হাম রোগী পাওয়া গেছে। তাদের মধ
