প্রেমিক গর্ভের সন্তানসহ নারীকে হত্যা করে মৃত্যুদণ্ড পেল
গর ভ র সন ত নসহ ন – রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় গর্ভের সন্তানসহ নারীকে হত্যার ঘটনায় আসামি কথিত প্রেমিক মাসুদ মিয়া মৃত্যুদণ্ড পেয়েছেন। এ বিষয়ে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আদালত নির্দেশনা দেন ফজলে খোদা মো. নাজির। মাসুদ মিয়া বর্তমানে স্বাক্ষরিত প্রেমিকের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার সময়সূচি ও পরিস্থিতি
গত কালে ঢাকার আশুলিয়া স্থানে কাজের সুযোগে মাসুদ মিয়া এবং শান্তনা খাতুনের পরিচয় হয়। দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং সেই সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। তিন বছর আগে শান্তনা গর্ভবতী হয়ে যান এবং মাসুদ কে বিয়ের চাপ দেন। তবে এ বিষয়ে নিজের প্রেমের দাবি তুলে ধরেন মাসুদ মিয়া।
হত্যার বিস্তারিত বিবরণ
গতকাল সন্ধ্যায় মাসুদ মিয়া শান্তনা খাতুনকে গর্ভের সন্তানসহ হত্যা করেন। তিনি শান্তনাকে আঘাত করে তাঁকে মৃত্যুর সীমাতে পৌঁছান। এ ঘটনার পর থানায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে এবং আদালতের সম্মুখীন হন। পরিচয় হয়েছিল শান্তনার সাথে মাসুদ মিয়ার দুর্বলতার কারণে এ ঘটনা ঘটে।
আদালত প্রাপ্ত প্রমাণের ভিত্তিতে মাসুদ মিয়াকে মৃত্যু দণ্ড দেন। এ পাশাপাশি তাঁকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ জারি করেন। এই ঘটনায় গর্ভের সন্তানসহ নারীকে হত্যার মামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবে সংঘটিত হয়। আদালত প্রেমিকের দুর্বলতার বিষয়টি অনুমান করেছে।
মাসুদ মিয়া পীরগঞ্জ উপজেলার মোনাইল এলাকার বাসিনদের সন্তান। তিনি প্রথম থেকে শান্তনাকে গর্ভের সন্তানসহ হত্যার অপরাধে শাস্তি পেয়েছেন। এ ঘটনার পরে তাঁকে আদালত থেকে সাজা দেয়া হয়েছে।
গর্ভের সন্তানসহ হত্যা করার অপরাধ বাংলাদেশে মামলা করা হয়। এ বিষয়ে আদালত প্রাপ্ত সাক্ষ্য এবং তার কারণগুলো বিশ্লেষণ করে মৃত্যু দণ্ডে ফেলেছেন। এই মামলার স্থায়িত্ব হিসেবে গর্ভের সন্তানসহ হত্যার ঘটনাকে গুরুতর করে তোলে।
