দুর্নীতির দুই মামলায় বিচারপতি মানিকের জামিন আবেদন নাকচ হয়েছে
দ র ন ত র ২ ম – আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজ বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের জামিন আবেদন নাকচ করেন। এ আদেশে তিনি তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে দুদকের দুই মামলার জামিন নামঞ্জুর করেন। আদালতের আদেশ প্রসিকিউটর তরিকুল ইসলাম তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
দুদকের পক্ষ থেকে জামিন বিরোধিতা করা হয়, যার পরিপ্রেক্ষিতে আদালত শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের জামিন আবেদন খারুজ করে। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে যে বিচারপতি মানিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের প্লট বরাদ্দ করেছেন অসাধু উপায়ে। তিনি বেআইনিভাবে জমি হস্তান্তর ও আত্মসাত করেছেন এবং নিয়ম অনুযায়ী রাজউকের অধিক্ষেত্রে কারও পূর্বে বাড়ি থাকলে নতুন প্লট বরাদ্দ করা যায় না।
প্রসিকিউটর তরিকুল ইসলাম জানান, মামলায় এসব সম্পদের মালিকানা অর্জন করে তা দখলে রাখা এবং হস্তান্তর, রূপান্তর ও স্থানান্তরের মাধ্যমে বিদেশে পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে বিচারপতি মানিকের বিরুদ্ধে। তিনি বাড্ডা থানার ভাটারা মৌজায় পৈতৃক ও ক্রয়কৃত জমি এবং নির্মাণাধীন বাড়ি থাকা সত্ত্বেও হলফনামায় অসত্য তথ্য দেন। এর ফলে রাজউক কর্মকর্তাদের প্রভাবিত করে প্লট নিজের নামে রেজিস্ট্রি করেন।
আরেক মামলায় প্লট আত্মসাতের অভিযোগ আবেদন করেছে দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন। এ মামলায় ছাড়া নয় মানিক সাত জনের বিরুদ্ধেও আসামি হন। অভিযোগে বলা হয়েছে যে আসামিরা যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রতারণা ও মিথ্যা হলফনামা ব্যবহার করে প্লট বরাদ্দ করেছেন।
মামলার বিরুদ্ধে আবেদনকারীকে প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সাক্ষরিত হলফনামা দেওয়া প্রয়োজন যাতে বলা হয় তিনি বা তার নির্ভরশীলরা এ এলাকায় জমি, ফ্ল্যাট বা বাড়ির মালিক নন। কিন্তু তিনি অসত্য তথ্য দিয়ে মামলার অনুমোদন করেছেন।
বিচারপতি মানিকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয় গত বছরের ১১ সেপ্টেম্বর। মামলার জন্য দ
