চেয়ার ফাঁকা দেখে হাজিরা খাতায় চোখ প্রতিমন্ত্রীর
চ য় র ফ ক দ খ – বরিশাল নদীবন্দর ও ড্রেজার বেইজসহ বিআইডব্লিউটিএ’র বিভিন্ন দফতরে মঙ্গলবার সকালে আকস্মিক পরিদর্শন করেন নৌ প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান। মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে তিনি যৌথ পরিদর্শন করেন এবং বিভিন্ন কক্ষে সামগ্রিক অবস্থা পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে বিআইডব্লিউটিএ’র হিম নীড়ে প্রকৌশল দফতর এবং নদীবন্দরের কার্যালয় ঘুরে দেখার পর তিনি হাজিরা খাতা দেখেন। এই কক্ষগুলোতে চেয়ার ফাঁকা দেখে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে।
কর্মকর্তাদের অবস্থা ও শাস্তি আতঙ্ক
পরিদর্শনকালে দফতরগুলোতে অধিকাংশ কক্ষে চেয়ার ফাঁকা দেখা যায়। দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবস্থা সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী জিজ্ঞাসা করেন। যারা কার্যালয়ে নিজেদের কক্ষ পাওয়া যায়নি, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না তা নিয়ে সামগ্রিক আলোচনা চালানো হয়। বিভিন্ন কর্মকর্তারা প্রশিক্ষণে যাওয়া, পরিদর্শনে যাওয়া সহ বিভিন্ন অজুহাত দিয়েছেন। এ ঘটনা গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে প্রতিমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের কাছে নোট করা হয়।
সফরের পরবর্তী কাজ ও বিশ্লেষণ
পরিদর্শনে অবস্থান বিশ্লেষণ করে নৌ প্রতিমন্ত্রী আপনারা যা দেখেছেন, আমিও তাই দেখেছি বলে জানান। যাদের কার্যালয়ে অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত করা যায়নি, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না সে বিষয়ে কিছু কথা বলেননি মন্ত্রী। কিন্তু এটি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে শাস্তি আতঙ্ক বিস্তারের সূত্রপাত করেছে। কেন এমন অবস্থা ঘটেছে তা বিশ্লেষণের জন্য পরবর্তী বৈঠক হবে বলে জানান হয়।
বিআইডব্লিউটিএ’র নদীবন্দর ও ড্রেজার বেইজ সহ অন্যান্য দফতরে হাজিরা খাতায় চেয়ার ফাঁকা দেখা যায়। এ সময় কর্মকর্তাদের ব্যবস্থাপনা ও সংগঠন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে প্রতিমন্ত্রী বিস্তারিত বিশ্লেষণ করেন। যারা প্রশিক্ষণে যাওয়া এবং সফরে যাওয়ার বিষয়ে অবস্থা নিয়ে কথা বলেন, তাদের কাছে চেয়ার ফাঁকা দেখে আতঙ্ক বিস্তার করেছে এ ঘটনা।
বিআইডব্লিউটিএ’র পরিদর্শন বিষয়ে সামগ্রিক চিন্তা করা হয়। যারা কার্যালয়ে নিজ কক্ষে অবস্থান না করে অন্য স্থানে পরিদর্শনে যাওয়া হয়েছে, তাদের উপর শাস্তি আতঙ্ক বিস্তার করছে। এ বিষয়ে কর্মকর্তাদের জন্য স্পষ্ট নীতি প্রণীত হতে পারে। কিন্তু প্রতিমন্ত্রী এ বিষয়ে কোন স্পষ্ট মন্তব্য করেননি।
পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী নিজ সংসদীয় এলাকা হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জের উদ্দেশ্যে স্পিডবোটে যাত্রা করেন। ডিজি ঘাট থেকে প্রস্থানের পর তিনি সংসদীয় কর্মস্থলে আসেন। চেয়ার ফাঁকা দেখে হাজিরা খাতায় চোখ প্রতিমন্ত্রীর সংগঠন বিষয�
