ঢাকায় হকারদের রাস্তা ও ফুটপাত বরাদ্দ কেন সাংঘর্ষিক নয়
ঢ ক য় হক রদ র র – হাই কোর্ট আদালতে জনস্বার্থে প্রস্তাবিত একটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানির পর বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি আবদুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রুল জারি করেছেন। স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব, আইন সচিব, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের রুলের জবাব দিতে আদেশ জারি করা হয়েছে।
ঢাকার হকার ব্যবস্থাপনা নীতিমালা বিষয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগ গত ৫ মে একটি নীতিমালা প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ করেছে। নীতিমালায় হকারদের প্রতিষ্ঠান গঠন, নিবন্ধন প্রদান, স্থান নির্বাচন ও বরাদ্দ করা স্থানে ব্যবসা চালানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
“নীতিমালার বরাদ্দ সংক্রান্ত অংশটুকু সংবিধানের ২১ ও ৩৬ অনুচ্ছেদ এবং সড়ক পরিবহন আইনের ৩৭ ধারার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। কারণ ফুটপাত ও রাস্তা জনগণের সম্পদ। এই সম্পদ কোনো ব্যক্তি বিশেষকে ব্যবসার জন্য ব্যবহার করতে দেওয়া যায় না। এটি জনগণের নির্বিঘ্ন চলাচলের স্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ন করে।”
আইনজীবী মো. রোকনুজ্জামান রিটের পক্ষে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দ ইজাজ কবির।
বিস্তারিত তথ্য
রুল জারির পর স্থানীয় সরকার বিভাগ প্রাথমিক শুনানির পরে তাদের সংক্রান্ত বৈধতা প্রতিষ্ঠার জন্য আইনজীবী মো. সোহেবুজ্জামান রিট আবেদন করেন। এ সংক্রান্ত বিষয়ে রুলের প্রতিবাদ করেছেন আইনজীবী মো. রোকনুজ্জামান।
প্রসঙ্গত, নীতিমালা গ্রহণের মাধ্যমে ঢাকা শহরে হকারদের রাস্তা ও ফুটপাতের বরাদ্দ করা হয়েছে। আদালতে রিটের মূল তর্ক ছিল এই নীতিমালার অংশটি সংবিধান ও আইনের সামঞ্জস্যতা বজায় রাখতে পারে না।
বিচারপতি আবদুর রহমান ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী গঠিত হাই কোর্ট বেঞ্চ দ্বারা রুল জারি করা হয়েছে। সেই রুল অনুসারে জনস্বার্থে প্রকাশিত রিট আবেদনটি কেন করা হয়েছে, তা পরিষ্কার করার জন্য আইনজীবী মো. রোকনুজ্জামান দাবি জানান।
এই প্রক্রিয়ায় স্থানীয় সরকার বিভাগ ও ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের রুলে বিষয়টি প্রতিক্রিয়া দিতে বাধ্য করা হয়েছে। ক্যাম্পাস, মাঠে ময়দানে, নগর জীবন, পূর্ব-পশ্চিম, দেশগ্রাম ও অর্থনীতি সংক্রান্ত প্রতিবেদনের সময়সূচি রুলের পরে পরিবর্তিত হয়েছে।
