খাল খনন ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি ও টেকসই কৃষি উন্নয়নের কী ভূমিকা
ফসল উৎপ দন ব ড় ত খ – কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ হলে আয়োজিত সেমিনারে কৃষিবিদ ও কর্মকর্তারা খাল খনন ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি ও টেকসই কৃষি বিকাশের জন্য অপরিহার্য বলে মনে করেন। তাদের দাবি, খাল খনন সমাধান জলাবদ্ধতা দূর করা ও শুষ্ক মৌসুমে সেচ সুবিধা নিশ্চিত করা উভয় কাজে কার্যকর। এই প্রক্রিয়ায় ভূগর্ভস্থ পানির চাপ কমে আসে এবং একটি ফসলি জমি দুই বা তিনটি ফসলি জমিতে পরিণত হয়।
বক্তারা প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমানের গুরুত্ব স্বীকৃত করেন
সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি তথ্য সার্ভিস পরিচালক মসীহুর রহমান। তিনি জানান যে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খাল খননের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি বলেন, এই কার্যক্রম সফল করতে সংশ্লিষ্ট সবাই আন্তরিক ভাবে কাজ করতে হবে।
ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি ও টেকসই কৃষি উন্নয়নে খাল খননের কোনো বিকল্প নেই বলে মত দিয়েছেন কৃষিবিদ ও কৃষি কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লার অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো. আজিজুর রহমান। প্রধান প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের সরেজমিন বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. জামাল উদ্দিন। স্বাগত বক্তব্য দেন আঞ্চলিক কৃষি তথ্য কর্মকর্তা মো. আরিফ হোসেন।
সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন কুমিল্লা অঞ্চলের উপপরিচালক মো. মিজানুর রহমান, চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া অঞ্চলের উপপরিচালকদের নাম উল্লেখ করা হয়। প্রতিদিন কৃষি কর্মকর্তাদের সাথে জুয়েল সরকার ও আয়শা আক্তার প্রকাশ্যে অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রচারে অবদান রাখায় চারজন কৃষি কর্মকর্তাকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। তাদের মধ্যে প্রথম হন দেবিদ্বার ও কসবা উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা বানিন রায় ও আয়শা আক্তার। দ্বিতীয় হন নবীনগর কৃষি কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর লিটন। তৃতীয় হন বুড়িচং উপজেলার আফরিণা আক্তার।
সেমিনারে আরও অংশগ্রহণকারীদের নাম বলা হয় যেমন রেজাউল করিম ভূঁইয়া, মো. সারোয়ার জামান, শেখ আজিজুর রহমান ও জুয়েল সরকার। তারা কৃষি কর্মকর্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন।
সংক্ষিপ্ত তথ্য অনুযায়ী সেমিনারে যুক্ত হয়েছেন নিম্নলিখিতরা: কুমিল্লার প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা মো. আজিজুর রহমান, চাঁদপুর ও
