পশ্চিমবঙ্গে গরুর হাট বিপর্যস্ত, নতুন আইন ঘিরে ভোগান্তি
পশ চ মবঙ গ ফ ক গর – বিজেপি সরকার পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতা অর্জন করার পর আইন নির্বাহে নতুন পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে, যা সর্বপ্রথম পুরোনো পশু জবাই নিয়ন্ত্রণ আইনের কঠোর প্রয়োগের দিকে পরিচালিত করেছে। নতুন নিয়মে কেবল ১৪ বছর বা তার বেশি বয়স্ক গবাদি পশু আইনিভাবে জবাই করা যাবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে, যার ফলে রাজ্যজুড়ে খামারি এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
খামারি প্রতিদিন খরচ বৃদ্ধি হয়েছে
ঘোষপাড়ার খামারি সাধন ঘোষ তার নিয়মিত ক্রয়-বিক্রয় প্রক্রিয়া বাকী রেখেছেন। তিনি ৫ শতাংশ সুদে ৫ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে ১০টি গরু কিনেছিলেন, কিন্তু আসন্ন কোরবানি ঈদে কেবল ৯টি গরু বিক্রি করে ঋণ শোধ করা সম্ভব হয়েছে না। বর্তমানে প্রতিদিন প্রতিটি গরুর খাবারের পেছনে তার খরচ প্রতি দিন ৫০০ রুপি বৃদ্ধি পেয়েছে।
অপর খামারি ভাস্কর ঘোষের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ অন্যরকম। তার ২২টি গরুর মধ্যে কেবল ১৫টি বিক্রি করতে চেয়েছিলেন তিনি, কিন্তু বর্তমানে আইনের প্রয়োগে তারা তাদের সামনে চাপ দিয়েছে। সাধারণত কোরবানি ঈদে গরুর বিক্রয় বৃদ্ধি পেয়ে তার খামার উপার্জন বৃদ্ধি পেত। এখন তিনি নিঃস্ব হওয়ার পথে পড়েছেন।
গরুর হাটে জনশূন্যতা বৃদ্ধি হয়েছে
পোলেরহাট গরুর হাটে সাধারণ সময়ে দিনে প্রায় ২ হাজার গরু বিক্রি হত। কিন্তু বর্তমানে মাত্র ২০-২৫টি গরু দেখা যাচ্ছে। এই নতুন নিয়মে ফিটনেস সার্টিফিকেট না পেলে গবাদি পশু জবাই করা যাবে না। এটি পোলেরহাট হাটের বড় পরিবর্তন ঘটিয়েছে।
টাংরার সরকারি কসাইখানা কোনো আগাম নোটিশ ছাড়াই গত দুই দিন ধরে বন্ধ রয়েছে, যার ফলে বাজারে মাংসের তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে। কলকাতা চিড়িয়াখানার প্রাণীদের খাবার চাহিদা মেটাতে প্রতিদিন দুটি মহিষ জবাই করা হচ্ছে।
খামারি দেখছেন আইনি জটিলতার ভয়ে ছাগল ও ভেড়া কেনা বেশি হচ্ছে। ক্রেতা নেই বলে গরুর হাটগুলোতে বিপর্যস্ত অবস্থা দেখা যাচ্ছে। তাদের দাদুর আমলে গরু বিক্রি করার প্রথম দিন হল মে মাসের প্রথম দিন। কিন্তু নতুন নিয়মে সে কাজটি সম্ভব হয়েছে না।
নেতাদের চিঠি লেখা হয়েছে সরকারকে
নওশাদ সিদ্দিকী বিজেপি সরকারকে চিঠি দিয়ে পঞ্চায়েত পর্যায়ে পশু চিকিৎসক নিয�
