কামরাঙ্গীচরে ছয় তলা ভবন থেকে পড়ে মেকানিকের মৃত্যু
ক মর ঙ গ চর ছয় তল – কামরাঙ্গীচরের ছয় তলা ভবন থেকে পড়ে মৃত্যুর ঘটনার সংঘটন রাজধানী ঢাকার কামরাঙ্গীচর এলাকায় ঘটেছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে ঘটে এই দুর্ঘটনায় ছয় তলা ভবনের নিচে পড়ে মৃত্যু হয়েছে মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম (২০) নামে একজন মেকানিকের। ঘটনার সময় সন্ধ্যার পর বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত বৃষ্টি কম হয়ে আসার পর ঘটেছে এই ঘটনা। অপরাহ্ণে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিক তদন্নী এবং নিকট স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ অনুসারে কামরাঙ্গীচর এলাকার ছয় তলা ভবনে কাজ করার সময় সে ছয় তলা ভবনের সরু ছাদ বা ছাদের পার্শ্বে দাঁড়িয়েছিল। তার বাড়ির লোক বলেন, সে ছয় তলা ভবনের নিচে পড়ে মৃত্যুর পর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তার শব আবিষ্কৃত হয়। ছয় তলা ভবনে প্রতিদিন বেশ কয়েকজন কাজ করে থাকে কামরাঙ্গীচর এলাকায় বিভিন্ন সেবা প্রদান করে। ছয় তলা ভবনের কাজের সময় প্রতিদিন নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়, কিন্তু এই দুর্ঘটনার প্রতিক্রিয়া হিসেবে স্থানীয় কর্মচারীদের বিশেষ করে ছয় তলা ভবনের কাজ করার সময় অতিরিক্ত পরিশ্রম বা অসতর্কতা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
মৃত মেকানিকের পরিচয় ও পরিস্থিতি
মৃত মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার এক পরিবারের সদস্য। তিনি বর্তমানে কামরাঙ্গীচরের আবু সাঈদ বাজার এলাকায় বসবাস করতেন এবং ওয়ালটনের প্রতিনিধি হিসেবে এসি সার্ভিসিংয়ের কাজ করতেন। ছয় তলা ভবনের কাজের সময় তিনি ছয় তলা ভবনের কাজে নিয়োগিত ছিলেন কামরাঙ্গীচরের প্রতিষ্ঠিত সংস্থার কর্মচারী হিসেবে। তার বাবা আবু সাঈদ বাজার এলাকার বাসিন্দা হিসেবে তার স্থানীয় সম্প্রদায়ের কাছে সে ছয় তলা ভবনে দুর্ঘটনা ঘটার সময় সাধারণত চাকরি করে থাকেন কাজের জন্য সারাদিন বিশেষ করে ছয় তলা ভবনে সময় অতিবাহিত করেন। তার শব সাধারণত ছয় তলা ভবনের সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের দ্বারা আহত অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হয়। ছয় তলা ভবনে কাজ করার সময় সে প্রতিদিন নিজের কাজের জন্য চাঁদপুর থেকে কামরাঙ্গীচরে আসতেন। ছয় তলা ভবনের বাইরে থেকে তার পরিচয় অবিচ্ছিন্ন হয়ে ছয় তলা ভবনে কাজ করার সময় তিনি সংঘটনটি ঘটেছে বলে অভিযোগ করছেন।
ছয় তলা ভবনে কাজ করার সময় অবিচারিত জানালা বা ছাদ দিয়ে নীচে পড়ে মৃত্যুর ঘটনার সম্ভাবনা সর্বদা স্থানীয় কর্মচারীদের কাছে বিস্মিত করে। বিশেষ করে কামরাঙ্গীচরের ছয় তলা ভবনে কাজের সময় প্রতিদিন সাধারণত অনেক ছাদ বা বাইরের অংশে �
