News

পাওনা টাকার কথা বলে ডেকে নিয়ে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেফতার ৩ | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

পাওনা টাকার কথা বলে গৃহবধূকে ধর্ষণ, তিন আসামিকে গ্রেফতার প ওন ট ক র কথ বল - পাওনা টাকার কথা বলে ডেকে নিয়ে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার সূত্র

Desk News
Published May 22, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

পাওনা টাকার কথা বলে গৃহবধূকে ধর্ষণ, তিন আসামিকে গ্রেফতার

প ওন ট ক র কথ বল – পাওনা টাকার কথা বলে ডেকে নিয়ে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার সূত্র প্রাপ্ত হয়ে তিন আসামিকে এক ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করে পুলিশ। ভুক্তভোগীর স্বামী আসলাম মিয়া মামলা দায়ের করেন যে তাঁর স্ত্রীকে পাওনা টাকার বিষয়ে আলোচনার জন্য ডেকে নিয়েছিল তিন ব্যক্তি।

প্রক্রিয়া ও অভিযোগ

গ্রেফতার করা তিনজন হলেন- লিটন (৪০), ইউসুফ হোসেন ফারুক (৫৭), এবং মো. ইয়াসিন (২২)। তারা দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ইকুরিয়া এলাকায় বাসিন্দা। মামলার তদন্তে জানানো হয় যে ভুক্তভোগী গৃহবধূ ছিলেন সেন্টার গলির একটি ভাড়া বাসায়। এ মামলায় প্রায় এক সপ্তাহ আগে তিনি পরিচিত ব্যক্তি নাদিম থেকে পাঁচ হাজার টাকা ধার নেন। সেই টাকার জামিনদার ছিলেন লিটন।

বুধবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে লিটন ও তার দুই বন্ধু গৃহবধূকে বাসা থেকে বাইরে নিয়ে যান পাওনা টাকার বিষয়ে আলোচনার জন্য। পরে তাকে মোটরসাইকেলে হাসনাবাদ এলাকায় একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে লিটন তাকে জোর করে ধর্ষণ করেন। পরে অন্য দুই আসামিও তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ঘটনাস্থলে অন্যরা পাহারা দিচ্ছিল বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীর স্বামী আসলাম মিয়া জানান, ঘটনার পর ধর্ষণকারীদের হুমকি দেওয়া হয়েছিল যে যদি কেউ তা জানতে চায় তবে হত্যা করা হবে। রাত নয়টার দিকে তিনি আবার স্ত্রীকে বাসার সামনে পৌঁছে হয়। বাসায় ফিরে সে তাকে পুরো ঘটনা বর্ণনা করে। পুলিশ ধর্ষণকারীদের গ্রেফতার করে। আমি সুষ্ঠু বিচার ও আসামিদের ফাঁসি শাস্তি চাই।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ওসি সাইফুল আলম বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই মামলা নেয়া হয়। তিন আসামিকে এক ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। পাওনা টাকার কথা বলে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনা বাংলাদেশে নতুন একটি গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়েছে।

প্রতিবেদন পরিচ্ছন্নতা

এ মামলার প্রাথমিক তদন্তে জানা যায় যে পাওনা টাকার কথা বলে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য করা হয়েছিল। আসামিরা একটি অপরাধ সংঘে একত্রিত হয়ে সেই কার্যক্রমে অংশ নেয়। ঘটনার সত্যিকার পরিচয় প্রকাশের জন্য পুলিশ তদন্ত প্রক্রিয়া চলছে।

পাওনা টাকার কথা বলে ধর্ষণের ঘটনা প্রতিদিনের সংবাদ পত্রিকার প্রকাশিত হয়েছে। ঘটনার পর স্বামী আসলাম মিয়া জানান যে তিনি আসামিরা নিয়ে মামলা দায়ের করেছেন। এ অপরাধ সম্পর্কে সংবাদ পত্রিকার প্রকাশে পাওনা টাকার কথা বলে নিয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে গণ্য হয়েছে।

Leave a Comment