মাদকাসক্ত হামলায় ফুপু নিহত, মা ও চাচি আহত
ম দক সক ত র হ মল – গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার চরাঞ্চলে গতকাল ভোরে মাদকাসক্ত যুবকের হামলায় এক মাদকাসক্ত হামলায় ফুপু জোহরা বেগম (৫২) নিহত হয়েছেন। ঘটনার স্থানে ছড়িয়ে পড়া মাদকাসক্ত হামলায় হামলাকারীর মা আনোয়ারা বেগম এবং চাচি জোলেখাকে গুরুতর আহত করা হয়েছে। আহতদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার স্থান হল ফজলুপুর ইউনিয়নের বাজে তেলকুপি গ্রাম। অভিযুক্ত যুবকের নাম সোহেল মিয়া (৩২) বলে জানা গেছে। ফুলছড়ি থানার ওসি দুরুল হোদা এ তথ্য প্রমাণ করেছেন।
হামলার পরিস্থিতি ও আহতদের অবস্থা
হামলার সময় মাদকাসক্ত হামলায় ফুপু জোহরা বেগমকে প্রাণ হারিয়েছেন। এ ঘটনার পর তাঁর মা আনোয়ারা বেগম ও চাচি জোলেখাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আহতদের চিকিত্সা চলছে। সোহেল মিয়ার মাদকাসক্ত হামলায় কী করা হয়েছে তা অনুসন্ধানে পুলিশ বিভাগ জড়ায়েছে। ক্ষতি করার পর মাদকাসক্ত হামলায় ঘটনার স্থানে স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়েছেন।
মাদকাসক্ত হামলার প্রকৃতি এবং ঘটনার প্রতিক্রিয়া
মাদকাসক্ত হামলায় স্থানীয় কয়েক জন বাসিন্দা বলছেন যে অপরাধী হামলার পূর্বে ঘটনাস্থলে আসার সময় মাদকাসক্ত হামলায় কেউ বাড়ি থেকে বের হননি। মাদকাসক্ত হামলায় ফুপু জোহরা বেগমকে গুরুতর আহত করা হয়। পুলিশ বলছেন যে হামলাকারী বর্তমানে আটক হয়েছে। তিনি বুধবার বিকালে উপজেলার থানায় গৃহীত হয়েছেন।
পরিবারের দাবি এবং ঘটনার পরিচয়
ফুপু জোহরা বেগমের পরিবার মাদকাসক্ত হামলার কারণ খুঁজছে। তারা বলছেন যে মাদকাসক্ত হামলায় কেউ বাড়ি থেকে বের হননি। যুবক সোহেল মিয়া এখন তাঁর আটক হওয়া পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত চলছে। মাদকাসক্ত হামলার ঘটনার পর বাড়িতে কুঁজো ধ্বংস হয়েছে। স্থানীয়দের মতে মাদকাসক্ত হামলার জন্য কেউ বাড়ি থেকে বের হননি।
অভিযুক্তের প্রতিক্রিয়া এবং পুলিশের কার্যক্রম
ফুলছড়ি থানার ওসি দুরুল হোদা বলেছেন যে মাদকাসক্ত হামলার ঘটনার পর তাঁরা সোহেল মিয়াকে আটক করেছে। তিনি বলছেন যে মাদকাসক্ত হামলায় ঘটনার তদন্ত চলছে। মাদকাসক্ত হামলায় কে যুক্ত রয়েছে তা নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রয়াস চালিয়েছে। স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দারা মাদকাসক্ত হামলার কারণ খুঁজছেন।
এ ঘটনার পর গাইবান্ধার প্রতিদিন সংবাদ প্রকাশ করেছে। মাদকাসক্ত হামলার ঘটনায় �
