সরকার কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করছে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
সরক র ক ষকদ র ন য – বাংলাদেশের সমাজকল্যাণ ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন ঘোষণা করেন যে সরকার খাদ্যবান্ধব নীতির মাধ্যমে কৃষকদের প্রত্যক্ষ ধান সংগ্রহ করছে। তিনি বলেন, এই পদক্ষেপের ফলে কৃষকদের আয় বৃদ্ধি পেতে এবং দেশের খাদ্য সংকট কমে আসতে সাহায্য করা হবে। শুক্রবার (২২ মে) দুপুর ১২টায় দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার খাদ্য বিভাগের আয়োজনে অনুষ্ঠিত অভ্যন্তরীণ বোরো সংগ্রহ অভিযান-২০২৬ মৌসুমের উদ্বোধনে তিনি এ কথা ঘোষণা করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের তালিকা
অনুষ্ঠানে উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা সাজিদ উল মাহমুদ সভাপতিত্ব করেন। অতিথির মধ্যে ছিলেন অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। উপস্থিত ছিলেন নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) তরিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, উপজেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রক মোফাখখেরুল ইসলাম, বিরামপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার হারেছ উদ্দিন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সোলাইমান ইসলাম মেহেদী, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম ইলিয়াস প্রমুখ।
“সরকার কৃষকদের ন্যায্য মূল্যের সুবিধা দেওয়ার জন্য খাদ্যবান্ধব নীতির আওতায় প্রত্যক্ষ ধান সংগ্রহ করছে। এ ব্যবস্থার ফলে কৃষকদের আয় বৃদ্ধি পাবে এবং দেশের খাদ্য সংকট কমবে,” জাহিদ হোসেন বলেন।
এ প্রক্রিয়াটি সরকারের কৃষি ক্ষেত্রে স্থায়ী প্রতিযোগিতা কমানোর উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে। তিনি বলেন যে নীতিটি কৃষকদের আয় বৃদ্ধি করতে সাহায্য করছে এবং কৃষি উৎপাদন অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে। সরকার এ পদক্ষেপের মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা বাড়াতে চেষ্টা করছে এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি তৈরি করতে নিয়ে আসছে বলে তিনি জানান।
কৃষকদের মুনাফা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে বিশ্বাস প্রকাশ
তিনি আরও বলেন যে সরকার কৃষকদের মুনাফা বৃদ্ধি করতে এবং দেশের আন্তর্জাতিক খাদ্য মার্কেটে অনুপ্রেরণা দিতে চেষ্টা করছে। এ পদক্ষেপে কৃষি ক্ষেত্রে অব্যাহত বিপণীতে প্রবেশ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি সরকার সংশ্লিষ্ট সংস্থার সাথে সমন্বয় করে কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার কাজ অব্যাহত রেখেছে।
এ অভিযানের মুখ্য উদ্দেশ্য কৃষকদের আয় বৃদ্ধি করা এবং দেশের খাদ্য সমস্যা দূর করা। জাহিদ হোসেন আরও বলেন যে সরকার এই নীতিটি কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করতে এবং প্রতিযোগিতার মাধ্যমে স্থায়ী আয় তৈরি করতে চেষ্টা করছে। তিনি মন্তব্য করেন যে এ ব্যবস্থার ফলে খাদ্য সংকট কমব
