News

আফগানিস্তানে বাল্যবিবাহকে আইনি স্বীকৃতি দেয়ার অভিযোগ | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

1779465543-098bb34beb4e111cab3d01f117c7d113

আফগানিস্তানে বাল্যবিবাহকে আইনি স্বীকৃতি দেয়ার অভিযোগ

Patrikajournal.com – আফগ ন স ত ন ব ল – তালিবান সরকারের নতুন আইনের বিরুদ্ধে বিশ্ব জুড়ে প্রতিবেদনের ঝড় দেখা গেছে। মানবাধিকার কর্মীদের দাবি, নতুন আইনটি বাল্যবিবাহ কার্যত বৈধ করে দিয়েছে এবং মেয়েদের বিবাহবিচ্ছেদের প্রক্রিয়া অসম্ভব করে তুলেছে।

বিশেষ করে আফগানিস্তানে বিবাহ সংক্রান্ত নতুন আইনে স্বামীর অসম্মতিতে নারী বিচ্ছেদ পেতে পারেন না। মেয়ে যদি বিয়ে দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করে তবুও স্বামী অনুমোদন না করেন, বিবাহবিচ্ছেদ সম্ভব হবে না।

দ্য গার্ডিয়ান এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক মাধ্যম বলেছেন, আইনে মেয়েদের বিবাহবিচ্ছেদের পথ প্রায় বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। স্বামীর অনুপস্থিতি বা আর্থিক সমর্থন না পাওয়াকেও বিচ্ছেদের কারণ হিসেবে গ্রহণ করা হবে।

তালিবান কর্তৃক জারি করা আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের খবর পাওয়া গেছে। নারী অধিকার সংগঠনগুলো এটিকে প্রাতিষ্ঠানিক সহিংসতা হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

মানবাধিকার কর্মী ফাতিমা বলেন, তালিবান সরকার নারীদের স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত করার ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। বাল্যবিবাহ কেন্দ্রিক করে আইনি কাঠামো গঠন করা হচ্ছে।

জাতিসংঘের আফগানিস্তান সহায়তা মিশন এই আইনের প্রতি গভীর চিন্তা প্রকাশ করেছে। তারা বলেছেন, আইনটি নারী ও শিশুদের অধিকার ক্ষয় করে দিচ্ছে এবং বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করবে।

ইউএনএএমএ কর্মকর্তা জর্জেট গ্যাগনন বলেন, আফগান নারীদের অধিকার ক্রমাগত সংকুচিত হচ্ছে। আইনটি নারীদের আইনি অবস্থান দুর্বল করছে এবং বিবাহে স্বাধীন সম্মতির ধারণা সীমিত করছে।

বিশ্ব জুড়ে সমালোচনার মধ্যে আফগানিস্তান ইন্ডিপেনডেন্ট হিউম্যান রাইটস কমিশনের আবদুল আহাদ ফারজাম বলেন, আইনটি বাল্যবিবাহকে বৈধতা দিয়েছে। তার ফলে নারীদের আইনি স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

আফগানিস্তান হিউম্যান রাইটস সেন্টারের গবেষণায় দেখা গেছে, বাল্যবিবাহের শিকার অধিকাংশ মেয়ে পারিবারিক সহিংসতা এবং মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে রয়েছে। সম্প্রতি দায়কুন্দি প্রদেশে একজন ১৫ বছর বয়স্ক কিশোরী বিয়ের পর স্বামীর নির্যাতনে মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

তালিবান সরকারের একজন মুখপাত্র বলেন, ই

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *