ব্যস্ত সময় পার করছেন মানিকগঞ্জের কর্মকাররা | বাংলাদেশ প্রতিদিন
ব যস ত সময় প র করছ – ব্যস্ত সময় পার করছেন মানিকগঞ্জের কর্মকারদের পেশাজীবী মানুষ। ঈদের মৌসুমে পণ্য চাহিদা বেড়ে উঠায় তাঁদের কাজ সবসময় তীব্র হয়ে আসে। মানিকগঞ্জের সড়কের পাশে ফুটপাতে বসে কর্মকাররা সারা দিন ধরে ছুড়ি, চাপাটি এবং কুড়াল সহ নানা ধরনের সরঞ্জাম তৈরি করে চালিয়ে যাচ্ছেন। এই সময় তাঁদের কাজ কমে না যাওয়ায় ব্যস্ত সময় পার করতে হয় তাঁদের আরও কঠিন হয়ে আসছে।
ঈদের সময় কর্মকারদের পেশা জেগে উঠছে
ব্যস্ত সময় পার করতে হয় কর্মকারদের মানুষ। ঈদ পর্বে ক্ষেত্রে পণ্যের চাহিদা দ্বিগুণ হয়ে ওঠায় তাঁদের দিনে নানা কাজ সম্পন্ন করতে হয়। নানা ধরনের ছুড়ি ও চাপাটি তৈরি করতে হয় তাঁদের বেশি সময়। কর্মকারদের আয় ঈদের পরিবেশে বেড়ে উঠছে এবং তাঁদের পরিবারের জীবিকা স্থিতিশীল হয়ে আসছে।
প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের প্রভাব ও সরঞ্জামের প্রাচুর্য
ব্যস্ত সময় পার করতে হয় কর্মকারদের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণেও। ঝড়বৃষ্টি ও অস্থিতিশীল জানমালের কারণে কাজের সুবিধা কমে আসছে তাঁদের জন্য। তবে ঈদ মৌসুমে ব্যস্ত সময় পার করতে হয় মানিকগঞ্জের কর্মকাররা এবং তাঁদের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের বিরুদ্ধে চেষ্টা চলছে। বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা গ্রাহকরা ব্যস্ত সময় পার করতে হয় তাঁদের কাছে নতুন সরঞ্জাম কিনতে প্রস্তুত হয়।
মানিকগঞ্জ শহীদ সরণি সড়কের পাশে ফুটপাতে বসে কর্মকাররা তাদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। ছুড়ি, বটি ও দা তৈরি করতে হয় তাঁদের প্রতিদিন। কর্মকার নুরুল ইসলাম বলেন, “আমাদের কাজের দাম ব্যস্ত সময় পার করতে হয় তাঁদের জন্য বেশি হয়ে উঠছে। চাপাটি ও বটি ৭০০ থেকে ১ হাজার টাকা কেজি দরে পাওয়া যায়। বড় ছুড়ি ভালো লোহার দাম ১ হাজার থেকে ১২ শত টাকা কেজি।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে ঝড়বৃষ্টি ও অস্থিতিশীল জানমালের কারণে কাজের সুবিধা কমে আসছে। যদি সরকার ব্যস্ত সময় পার করতে হয় তাঁদের জন্য কোন স্থায়ী জায়গা ব্যবস্থা করে দেন তবে এই পেশার লোকজন সুরক্ষিত থাকতে পারেন।
জীবনের তাগিদ ও নতুন চাহিদা
ব্যস্ত সময় পার করতে হয় কর্মকারদের জীবনের কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও। যখন তাঁদের কাজ বেশি হয় তখন প্রতিদিন নতুন কাজে প্রবেশ করতে হয়। কারণ ঈদের মৌসুমে ব্যস্ত সময় পার করতে হয় গ্রাহকদের জন্য নতুন সরঞ্জাম চাহিদা বেড়ে উঠছে। মানিকগঞ্জের কর্মকাররা তাদের পণ্য বিক্রি করছেন সারা দিন।
মানিকগঞ্জে কর্মকার
