ঈদ উৎসবের প্রথম দিন স্বস্তির ছাপ ছড়িয়েছে
ঈদয ত র র প রথম দ – বছরের পর বছর আগের তুলনায় এবার ঈদের ছুটির শুরুতে সড়ক, রেল ও নৌপথে চেনা যানজট ও ভিড় ছিল না। যাত্রীদের প্রায় অস্বাভাবিক চাপ অনুভব করতে হয়নি। মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে বাড়ি ফিরেছেন।
রেলপথ থেকে স্বাভাবিক চলাচল
রাজধানী কমলাপুর রেলস্টেশনে অধিকাংশ ট্রেন সময়মত ছেড়ে যায়। কয়েকটি ট্রেন কিছু মিনিট দেরী করেছিল। যাত্রীদের প্রতিক্ষা পোহাতে হয়নি।
‘ঈদুল আজহার আগে ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়ের শঙ্কা নেই। আমরা তৎপর আছি। ইন্টার ডিপার্টমেন্ট সমন্বয় করছি। আশা করছি এবার স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রা দেখতে পাব।’ – রেলপথ সচিব ফাহিমুল ইসলাম
গতকাল সকালে স্টেশন পরিদর্শন করেন ফাহিমুল ইসলাম। তিনি জানান যে আজ ঈদযাত্রার জন্য ৬৬টি ট্রেন ছেড়ে যায়। তার মধ্যে ৪৩টি আন্তনগর ও ২৩টি কমিউটার। রবিবার থেকে স্পেশাল ট্রেন চালু হবে।
সড়কপথে নিয়ন্ত্রণ বিপর্যয়ের সম্ভাবনা ছিল না
বিগত বছরগুলোতে সবচেয়ে বড় কার্যকারিতার সমস্যা ছিল ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-চট্টগ্রাম সড়কে। এবার যানবাহনের ভিড় ও সারি কম। বঙ্গবন্ধু ও পদ্মা সেতুতে গাড়ি চলছে স্বাভাবিক গতিতে।
তবে টঙ্গী থেকে গাজীপুর সড়কে গাড়ি চলতে ধীরগতি ছিল। পুলিশের তৎপরতা মুন্সিগঞ্জ ও চাঁদপুর রুটে প্রাধান্য দেখা যায়।
নৌপথে লঞ্চগুলো ফাঁকা ছিল
সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে এখনো যাত্রী চাপ অপেক্ষাকৃত কম। দক্ষিণাঞ্চলগামী লঞ্চ অধিকাংশ ফাঁকা ছিল। অবশ্য সংশ্লিষ্টরা বলছেন যে রবিবার বিকালের মধ্যে চাপ বৃদ্ধি পাবে।
‘ভিড় কম থাকায় স্বস্তিতে যাত্রা করতে পারছি। ঈদের আগে এমন ফাঁকা পরিবেশ সচরাচর দেখা যায় না।’ – চাঁদপুরগামী ‘স্বর্ণদ্বীপ-৮’ লঞ্চের যাত্রী মো. সাইফুল ইসলাম
নৌপথে অনেকটাই পরিবারের সাথে যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচল ঘটেছে। টার্মিনাল ছাড়া অতিরিক্ত চাপ হয়নি। নিরাপত্তার জন্য পুলিশের তৎপরতা দেখা যায়।
১ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম ৪৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম ১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম ১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম ২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম ২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে ২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ ২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম ৩ ঘণ্টা আগে |
