News

তৃণমূল ভাঙবেন নাকি বাইরে রাখবেন, বড় দ্বিধায় শুভেন্দু | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

c89d71c0-2e7e-4dc1-b450-73894e6d9f59-0

তৃণমূলের নেতাদের কী হবে—বিজেপি আক্রমণের মুখে শুভেন্দু অধিকারী

Patrikajournal.com – ত ণম ল ভ ঙব ন ন – পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি বিশাল জয় অর্জন করার পর এখন সংখ্যাগুণ সমস্যা ও বিক্ষুব্ধ নেতাদের সম্পর্কে গুরুতর ক্ষেপণাঙ্কে পড়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের ক্ষমতাহীন বিক্ষুব্ধ নেতাদের দলে নিয়ন্ত্রণ করা নাকি তাদের বাইরে রাখা—তা নিয়ে বিজেপির শীর্ষ কর্তৃপক্ষ সংকট বোধ করছে।

ভোটার প্রতি বিশ্বাসঘাতকতার আশংকা

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তৃণমূল নেতাদের সংখ্যাগুণে নেওয়া বিজেপির জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। যদি তারা এই নেতাদের দলে টেনে নেওয়া হয়, তবে সাধারণ মানুষের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে তা গণ্য হতে পারে। প্রতিবেদন পরিচালক শমীক ভট্টাচার্য জানিয়েছেন যে যারা বিজেপি কর্মীদের ওপর অত্যাচার করেছেন বা হত্যা করেছেন, তাদের দলে জায়গা দেওয়া হবে না।

“বিজেপি কোনো ‘ধর্মশালা’ নয়। যারা কর্মীদের ওপর অত্যাচার করেছে বা হত্যা করেছে, তাদের কোনোভাবেই দলে জায়গা দেওয়া হবে না।”

অন্যদিকে বিধানসভার নির্বাচনে যে পরিস্থিতি হয়েছে তা দেখে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে। তবে অত্যন্ত সতর্ক থাকার কথা বলা হয়েছে। বিপরীতে স্থানীয় নির্বাচনে তৃণমূল নেতাদের দলবদল করে নেওয়া যেতে পারে বলে ধারণা হচ্ছে। বিজেপির জন্য এই অভিজ্ঞতা ও সংগঠনিক প্রভাব তাদের ক্ষমতার স্থিতি সুনিশ্চিত করতে পারে।

দলের মধ্যে বিস্ময়ের সুর

এই বিপর্যয়ের পর ক্ষুব্ধ ও বিদ্রোহী কণ্ঠস্বরগুলোকে স্তিমিত করে দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। পরাজয়ের পর তার নেতৃত্ব প্রতি প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে অনেক নেতা। শুভেন্দু অধিকারী নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন যখন তিনি উগ্র হিন্দুত্ববাদ এবং অনুপ্রবেশবিরোধী কড়া প্রচার চালিয়ে বিজেপি কর্মীদের আদর্শ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিলেন।

নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল অনুসারে, তৃণমূল কংগ্রেস সম্প্রতি ২৯৪টি আসনের মধ্যে মাত্র ৮০টি আসনে বিস্তার লাভ করেছে। সাংসদদের মধ্যে অনেকে বিজেপির ছায়াতলে আশ্রয় নেওয়ার পথ খুঁজছেন। বিজেপি এখন বিপর্যয় বিশ্লেষকদের মতে এই দুটি পথই সম্ভব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *