বাংলাদেশে আত্মনির্বাসিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাক্ষাৎকার
একট স ক ষ ৎক র র – বাংলাদেশে আত্মনির্বাসিত শেখ হাসিনার একটি ইমেইল সাক্ষাৎকারে তিনি হিন্দুস্তান টাইমসকে জানান, তিনি দেশে খুব শীঘ্রই ফিরে আসবেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ তাঁর দেশ, তাঁর বাবার দেশ, অবশ্যই ফিরে আসবেন। কিন্তু তাঁর ফিরে আসার কথা তো আইনের পরিবেশের ওপর নির্ভর করে।
‘শিলা জলে ভাসি যায়, বানরে সংগীত গায়, দেখিলেও না হয় প্রত্যয়-।’ এই কবিতার লাইন মনে পড়েছে তাঁর কথার শুনে তিনি আরও বলেন, তাঁর ক্ষমতা বিস্তারের প্রক্রিয়াগুলো যত দিন আওয়ামী লীগের ক্ষমতায় বিরাজ করবে, তত দিন দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরে আসবে না।
তিনি জানান, তাঁর দেশ থেকে অনুপস্থিতিকে নিজের ‘নীরবতা’ মনে করেন না। বিচার প্রক্রিয়ায় তিনি প্রতিমুহূর্তে দেশের জন্য লড়াই করছেন। কূটনৈতিক পর্যায়ে আন্তর্জাতিক আইনগত কাঠামোতে সক্রিয় রয়েছেন এবং আন্তর্জাতিক মিডিয়ার মাধ্যমে কাজ করছেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে তাঁর দলের বিরুদ্ধে নীরব রাজনৈতিক গণহত্যা চালানো হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন। তিনি স্বীকার করেন, আওয়ামী লীগের নেতাদের অনেকে দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন। আইনি পরিবেশ পুনঃপ্রতিষ্ঠা হওয়া মাত্র তাঁরা বাংলাদেশে ফিরে আসবেন বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।
প্রত্যাবর্তনের প্রক্রিয়া
১৯৮১ সালের ১৭ মে শেখ হাসিনা বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন। এই দিনটি তাঁর জন্য আবেগময় এবং স্মরণীয় বলে তিনি মনে করেন। আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা বিচারাধীন আইসিটিতে। এ মামলগুলো জামিন অযোগ্য। উচ্চ আদালত তাঁর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় পুনর্বিবেচনা করেন। পুনর্বাসন হওয়া পর্যন্ত তাঁকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে।
তিনি নীরব রাজনৈতিক গণহত্যা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন। আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আইনি কার্যক্রম তাঁদের নির্বাসনের মেয়াদ পূর্ণ করে দেশে প্রত্যাবর্তন করতে হবে। সাবেক সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামালের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশের স্বাধীনতা বিপন্ন হয় না বলে তিনি মনে করেন। বাকস্বাধীনতা এবং আইনের শাসন তাঁদের দল দ্বারা বজায় রাখা যায়। এ পরিস্থিতি থেকে জীবন বাঁচাতে নেতাদের বাধ্য করা হয়েছে।
