বিএটিবিসির মালিকানা জালিয়াতি অভিযোগে দুদক নথি তলব
ব এট ব স র ম ল – ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো বাংলাদেশ কোম্পানি লিমিটেড (বিএটিবিসি) বিরুদ্ধে মালিকানা জালিয়াতির অভিযোগ প্রকাশ করা হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত শুরু করেছে এবং আরজিআরসি এবং যৌথমূলধন কোম্পানি ও ফার্মগুলো থেকে নথি চেয়ে নেওয়া হচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার বিএটিবিসি এবং আরজিআরসি কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। দুদক বিএটিবিসি থেকে আগামী ১৫ জুন পর্যন্ত সত্যায়িত অনুলিপি ও তথ্য আদায় করতে বলেছে।
অভিযোগের প্রতিবেদন প্রক্রিয়া প্রস্তুত
অভিযোগ অনুসারে বিএটিবিসি গত তিন দশকে সরকারের প্রতিষ্ঠানগুলোকে কর ছাড় ও ক্ষতিপূরণ দিয়ে বোর্ডে নিয়োগ দেওয়ার মাধ্যমে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক সুবিধা অর্জন করেছে। বিএটিবিসি নিবন্ধিত হওয়ার পর কোম্পানিটি ঢাকা ও চট্টগ্রামে কারখানা পরিত্যক্ত সম্পত্তি হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের নিয়ন্ত্রণে ছিল বলে দাবি করা হয়। এগুলো বিএটিবিসি এবং আরজিআরসি কর্তৃপক্ষের মালিকানায় রয়েছে।
পাকিস্তান আমেরিকান টোবাকো (পিএটি) করাচিতে প্রথম কারখানা স্থাপন করে। পরবর্তীতে চট্টগ্রাম ও ঢাকায় কারখানা খুলে ব্যবসা চালু করা হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর কারখানা সরকারের দখলে ছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বিএটিবিসি পরিচালনার সম্পত্তি সংক্রান্ত তথ্য আদায় করতে দুদক পাকিস্তান টোবাকো কোম্পানি লিমিটেডের সাথে যুক্ত করেছে।
বিএটিবিসির শেয়ারের মধ্যে ৭১ দশমিক ৯১ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালকদের ও শূন্য দশমিক ৬৪ শতাংশ বাংলাদেশ সরকারের। অবশিষ্ট শেয়ার অন্যান্য হোল্ডারদের মালিকানায় রয়েছে। বিএটিবিসি পরিচালনার সম্পত্তি হিসেবে সব রেকর্ডপত্র তলব করা হয়েছে। দুদক পিএটি ও বিএটিবিসি কর্তৃপক্ষের বার্ষিক প্রতিবেদন সংগ্রহ করতে চাইছে।
প্রতিবেদন আদায় ও তদন্তের প্রক্রিয়া
দুদক প্রতিবেদনের জন্য বিএটিবিসি ও আরজিআরসি নিবন্ধন সংক্রান্ত নথি তলব করেছে। এখন পরিচালকদের সম্মতি প্রতিবেদন সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে। বাংলাদেশের কর্মকর্তারা মালিকানা জালিয়াতি অভিযোগের সত্যতা পরিদপ্তরে প্রমাণ গ্রহণ করতে বাধ্য হবে।
প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে বিএটিবিসি পরিচালনার সম্পত্তি হারানো হয়নি। পাকিস্তান টোবাকো কোম্পানি লিমিটেডের বার্ষিক প্রতিবেদনগুলো বাংলাদেশে কারখানা হারানোর বিষয়ে তথ্য প্রদান করে। দুদক এগুলো দ্বারা মালিকানা জালিয়াতির প্রমাণ সংগ্রহ করছে।
