নোয়াখালীতে হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুর মৃত্যু ঘটেছে
ন য় খ ল ত হ ম – নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মো. সামির (৭ বছর) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (২৪ মে) ভোর ৫টার দিকে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে। সামির জেলার সুবর্ণচর উপজেলার চরকাটাখালি গ্রামের মফিজুল হকের ছেলে। তাকে শনিবার বিকেল চারটার দিকে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আবার নোয়াখালীতে চলতি মৌসুমে হামের উপসর্গ নিয়ে এটিই প্রথম মৃত্যুর ঘটনা।
হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা করতে হাসপাতালে সংকট ছড়ালো
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এপ্রিলের শুরু থেকে পর্যন্ত এই হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে প্রায় ৯৫০ শিশু চিকিৎসা গ্রহণ করেছে। গড়ে প্রতিদিন ২০ জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। বর্তমানে শিশু ওয়ার্ডে সামান্য বেড সংকট দেখা দিয়েছে, যা দ্রুত আকার বৃদ্ধি পেয়েছে। ওষুধের সংকটও হাসপাতালটিতে চাপ বাড়ি�়েছে। অনেক অভিভাবক বাইরে থেকে প্রয়োজনীয় ওষুধ সংগ্রহ করতে বাধ্য হয়েছেন।
নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. রাজীব আহম্মেদ চৌধুরী শিশুটির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হামের উপসর্গ নিয়ে প্রায় ১০৪ জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। তিনি বলেন, রোগীদের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে, যা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবস্থান গুরুতর করে তুলেছে। বর্তমানে চিকিৎসাসেবা প্রদান করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে হাসপাতালের স্টাফদের।
“হামের উপসর্গ নিয়ে রোগী সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে, তাই আমরা সমস্ত সম্ভব প্রতিক্রিয়া নেয়া হচ্ছে। কিন্তু সামগ্রিক সংকট সামান্য করে তুলতে পারছি না।” ডা. রাজীব আহম্মেদ চৌধুরী বলেন।
প্রতিবেদন ও বিশেষজ্ঞদের মতামত
নোয়াখালীতে হামের উপসর্গ নিয়ে শিশু মৃত্যু ঘটার পর প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে এই পরিস্থিতি সামান্য সার্বিক সংকট হতে পারে। তবে পরিস্থিতি যদি আরও খারাপ হয় তবে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন। প্রতিদিন হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া শিশুদের সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে রোগীদের চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে।
আবার পরিস্থিতি সামান্য সামগ্রিক সংকট হতে পারে। নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে শিশুদের জন্য যথেষ্ট সংখ্যক বেড প্রস্তুত করা হয়েছে, কিন্তু তা পরিপূর্ণ ভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে না। হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা করতে হাসপাতালে নিয়োগ পেয়েছে সামান্য সংখ্যক চিকিৎসক। এই সংকট কিছু অভিভাবকদের কাছে সমস্যা সৃষ্টি করেছে।
এই ঘটনার পর স্থানীয় কর্মকর্তাদের কাছে বৃদ্ধি পেয়েছে দাবি। হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুদের জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক রোগী বেড ও ওষুধের ব্যবস্থা করা প্�
