সাভারে গৃহবধূকে গণধর্ষণের অভিযোগ ও অভিযুক্ত ব্যক্তির প্রতি গণপিটুনি
স ভ র গ হবধ ক গণধর – সাভারে গৃহবধূকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠার পর তিনজন আসামি পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন। অভিযুক্ত ব্যক্তির একজন রানা বাসায় ফিরেছিলেন কিন্তু তাকে পরিবারের সদস্যদের হাতে গণপিটুনি দেয়া হয়েছে। মামলার অপর দুই আসামি এখনও পলাতক রয়েছেন।
অভিযোগ ও ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ
নূর মোহাম্মদ পরিদর্শক এনআরএইচ কেন্দ্রে ঘটনার বিবরণ তুলে ধরেন। গৃহবধূ বৃহস্পতিবার রাতে মিরপুর এলাকায় একটি মেলায় স্বামীর সাথে যান এবং রাত তিনটার দিকে কয়েকজন মিলে তাকে কক্ষে ঢুকে গণধর্ষণ করে। এই ঘটনার কারণে ভুক্তভোগী আত্মহত্যা করতে চাইলে কারণ জানতে চায়। সেই সময় ভিডিও তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেয়া হয়।
ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের কাছে বিষয়টি বিস্তারিত বর্ণনা করেন। রাত আটটার দিকে পেশায় রাজমিস্ত্রী রানা বাসায় ফিরেছিলেন কিন্তু তাকে গণপিটুনি দেয়া হয়। পাশের রুমের ভাড়াটিয়া রানা সহ প্রতিবেশী দুইজন তাকে হাত-পা বেঁধে গণধর্ষণ করে। অপর দুইজন আসামি ভিডিও করে।
সাভার মডেল থানার পরিদর্শক জানান, ঘটনার বিবরণ ভুক্তভোগী ও তার মা যেভাবে বর্ণনা করেছেন তার মতো মামলাটি রেকর্ড করা হয়েছে। তিনজন আসামি আদালতে পাঠানো হয়েছে। এর পর গৃহবধূকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।
সাভারে গৃহবধূকে গণধর্ষণ ঘটনার পর স্থানীয় কর্মকর্তারা কার্যক্রম সাময়িক স্থগিত করেছেন। ক্ষতিগ্রস্থ নারী এবং তার মা স্পষ্ট বর্ণনা করেছেন যে তিন দিন ধরে ব্লাকমেলিংয়ের মাধ্যমে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে।
অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম রানা (৩৬) ও মজিবর রহমান (৪৮) এবং মেহেদী নামে কিশোর (১৬) গ্রেফতার হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন রানা নামে কিশোর রানা ঘটনার পর ক্ষেত্রে আটক হন। বাকি দুই আসামি এখনও খুন্দা হচ্ছে। গৃহবধূ ও তার মা নিজেদের অভিযোগ স্থানীয় কর্মকর্তাদের কাছে জমা দেন।
সাভারে ঘটনার জন্য সামগ্রিক তদন্ন চলছে। বর্তমানে চার আসামি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন। এর মধ্যে একজন গৃহবধূকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠিয়েছেন। মামলার বিষয়ে প্রতিবেশীদের বিস্তারিত বিবরণ পেশ করা হয়েছে।
