ইবোলা আক্রান্ত ১৮ জন পালিয়ে গেছেন কঙ্গোর হাসপাতাল থেকে
কঙ গ র হ সপ ত ল – ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে ইবোলার প্রাদুর্ভাবের কেন্দ্রস্থল মংবওয়ালু শহরে একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলার পর অগ্নিসংযোগের ঘটনা সৃষ্টি করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা চিকিৎসাকেন্দ্রের একটি তাঁবুতে আগুন ধরিয়ে দেয়, যাতে নিশ্চিত এবং সন্দেহভাজন ইবোলা রোগীদের চিকিৎসা চালানো হচ্ছিল। হামলার ফলে কেউ আহত হয়নি কিন্তু আতঙ্কে রোগীরা ছুটোছুটি শুরু করে এবং সেখানে ছিলো ১৮ জন সন্দেহভাজন আক্রান্ত বর্তমানে খোঁজ পাওয়া যায়নি।
“এটি এক সপ্তাহের মধ্যে এই ধরনের দ্বিতীয় হামলা। আগেও রোয়ামপারায় একটি ইবোলা চিকিৎসাকেন্দ্রে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।” বলে জানিয়েছেন স্থানীয় হাসপাতাল পরিচালক ডা. রিচার্ড লোকুদি।
গত শনিবার রোয়ামপারায় কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ইবোলা আক্রান্তদের গণদাফন করা হয়। সেই ঘটনার পর স্থানীয় জনগণের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে এবং রেড ক্রসের টিম লিডার ডেভিড বাসিমা জানিয়েছেন যে স্বাস্থ্যকর্মীদের বাধা ও প্রতিরোধের মুখে তাঁদের কাজ করতে হয়েছিল। এজন্য সাদা সুরক্ষা পোশাক পরা কর্মীরা সিল করা কফিন মাটিতে নামিয়ে দাফন করেন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিওএইচও) এখন পর্যন্ত ৮২টি নিশ্চিত সংক্রমণ এবং সাতজনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। প্রকৃত পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে প্রায় ৭৫০টি সন্দেহভাজন ইবোলা সংক্রমণ ও ইবোলায় আক্রান্ত হয়ে ১৭৭টি সম্ভাব্য মৃত্যুর ঘটনা তদন্তাধীন রয়েছে।
“এই সংকট মোকাবিলায় স্থানীয় জনগণের আস্থা অর্জন করাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।” বলছেন আফ্রিকা সিডিসি।
বৈশ্বিক সংক্রমণের ঝুঁকি এখনো কম বলে জানিয়েছেন ডব্লিওএইচও প্রধান টেড্রোস আধানম গেব্রিয়েসুস। তিনি বলেন, ইবোলার বিস্তার ঠেকাতে ডিআরসিতে এই প্রাদুর্ভাব অত্যন্ত উচ্চ ঝুঁকি তৈরি করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে বিরল বুন্ডিবুগিও ধরনের ভাইরাস বিরামে নেই কোনো কার্যকর টিকা।
ইবোলার মৃত ব্যক্তির দেহ সংক্রামক হওয়ায় সেনা ও পুলিশ নিরাপত্তা ব্যবস্থা করেছে। দূর থেকে স্বজনদের কান্না করতে দেখা যায়। পরিবারের কাছে মৃত ব্যক্তির দেহ হস্তান্তর না
