সাংস্কৃতিমন্ত্রী কবি সুকান্তের জীবন ও কাজ সম্পর্কে বক্তব্য পেশ করেন
কব স ক ন ত শ ষ – কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য শোষিত মানুষের পক্ষে এবং বৈষম্যের বিরুদ্ধে কবিতা লিখেছেন, যা তাঁর চেতনার স্পষ্ট প্রতিফলন। সাংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, কবির জীবনের স্মৃতি আজও সাংস্কৃতিক উন্নয়নের জন্য বিশেষ ভূমিকা পালন করছে।
পৈতৃক ভিটার আয়োজিত কবি সুকান্ত মেলার উদ্বোধন
বুধবার (১৩ মে) কোটালীপাড়া উপজেলার উনশিয়া গ্রামে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী অংশ গ্রহণ করেন। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসন মেলার আয়োজন করেছে।
কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের কবিতাগুলো শোষিত মানুষের প্রতিবাদের সুরে লিখিত। তাঁর কাব্য শিল্প নৈতিক সংগ্রামের প্রতিশ্রুতি বহন করে।
অনুষ্ঠানটি মোমবাতি জ্বালানো এবং পায়রা উড়ানোর মাধ্যমে শুরু হয়। সভাপতিত্ব করেন গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান। আরও বক্তব্য পেশ করেন গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জিলানী এবং জেলা পরিষদ প্রশাসক শরীফ রফিকউজ্জামান।
মেলার প্রাথমিক কর্মসূচিতে বিভিন্ন কবির আবৃত্তি, শিক্ষার্থীদের রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসন পৈতৃক ভিটার গ্রামীণ মেলার সংগঠনে সহযোগিতা করেছে। কবির জন্মগ্রহণের স্থান সুপরিচিত করে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।
মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানের আয়োজন
আগামী শুক্রবার মেলার সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর অতিথি হিসেবে উপস্থিত হবেন।
কবির জন্ম ও মৃত্যু সম্পর্কে তথ্য
কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য ১৯২৬ সালের ১৫ আগস্ট কলকাতার কালীঘাটে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৪৭ সালের ১৩ মে মাত্র ২১ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। কলকাতায় জন্ম হলেও তাঁর পৈতৃক ভিটা গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার উনশিয়া গ্রামে অবস্থিত।
তাঁর গুরুত্বপূর্ণ কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘ছাড়পত্র’, ‘ঘুম নেই’, ‘পূর্বাভাস’, ‘অভিযান’ ও ‘হরতাল’। এগুলো শোষিত মানুষের বিরুদ্ধে এবং সামাজিক বৈষম্য বিরোধী যুক্তি বহন করে।
