রংপুরে ডাকাতি মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার
র প র ড ক ত ম – শনিবার রাতে রাজশাহী ও ঢাকা র্যাব কর্মীদের একটি সামন্তরিক অভিযানে রাজশাহী জেলার সাভার মডেল থানা এলাকায় ডাকাতি মামলার প্রধান আসামি আরিফ মন্ডল (৩৯) গ্রেফতার করা হয়। তিনি মিঠাপুকুর উপজেলার রানীপুকুর এলাকার সাজ্জাদ আলী মন্ডলের ছেলে হিসেবে পরিচিত। র প র ড ক ত ম এর আসামি পরিচালনা করা হয়েছিল অপরাধ দমন ও ক্রিমিনাল কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে, কিন্তু এই ঘটনা ছায়া তদন্তের ফলে প্রাপ্তি ঘটে।
অপহরণ ও অপরাধের পরিস্থিতি
গত ১৪ এপ্রিল রাতে আরিফ মন্ডল এবং তার সহযোগীদের নেতৃত্বে মিঠাপুকুর উপজেলার ভুক্তভোগী লায়লা নিলুফার ইয়াসমিনের বাড়িতে অপহরণ ঘটে। আসামিরা স্বামীর অসুখের কারণে হাসপাতালে থাকার জন্য তার বাড়িতে প্রবেশ করে। তাদের আক্রমণে নগদ টাকা, সঞ্চয়পত্র, স্বর্ণালংকার ও মোটরসাইকেল সহ সম্পদ সংগ্রহ করা হয়। এই অপরাধ প্রতিক্রিয়ায় নিলুফার ইয়াসমিন মিঠাপুকুর থানায় মামলা দায়ের করে।
র্যাব-১৩ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক বিপ্লব কুমার গোস্বামী জানান, র প র ড ক ত ম এর আসামি পরিচালনার মাধ্যমে দুর্বল অপরাধ দমন করা হয়েছে। এই অপরাধে বিভিন্ন সংগঠন অংশ নেয়। গ্রেফতার করা হয় অপরাধ দমনের সম্প্রতি ঘটনার ধারাবাহিকতায়।
এই অপরাধে র প র ড ক ত ম এর বিরুদ্ধে অভিযোগ জামাই ছায়া তদন্তে বিশেষ মুখ্য ভূমিকা রয়েছে। নিলুফার ইয়াসমিন নিজের অপরাধ ব্যবস্থাপনার জন্য মিঠাপুকুর থানায় প্রতিবেদন করে। র প র ড ক ত ম এর অভিযোগ ও তথ্যের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়।
আসামির প্রক্রিয়া ও সামাজিক প্রতিক্রিয়া
গ্রেফতার করা হয় র প র ড ক ত ম এর আসামি পরিচালনার ফলে যাওয়া হয়। এই ঘটনা রাজশাহী জেলার বিশেষ গুরুত্ব প্রাপ্তি করে। প্রতিবেদন স্থানীয় সমাজে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। আসামি গ্রেফতার করার পর পর তার সংগঠন বিরুদ্ধে আরও অভিযান চালিয়ে যাওয়া হয়।
র প র ড ক ত ম এর আসামি পরিচালনা করা হয়েছিল বিশেষ অপরাধ দমনের জন্য। এই অভিযানে র্যাব কর্মীদের সাথে সহযোগিতা করেছিল মিঠাপুকুর থানার সদস্যরা। আসামি গ্রেফতারের ফলে অপরাধ কমিয়ে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
সম্প্রতি র প র ড ক ত ম এর ক্ষুদ্র অপরাধ থেকে বড় ঘটনার সৃষ্টি হয়। তাদের কাছে আরও তদন্তের আবেদন করা হয়। এই মামলার ফলে আসামির সংগঠন অপরাধ দমন করার জন্য নিয়োগ করা হয়। গ্রেফতার করা হয় মামলার প্রক্রিয়া অনুযায়ী।
সম্পাদনা তারিখ: ২৫ মে, ২০২৬
