যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তির এক মাস পর হরমুজ প্রণালি খুলতে পারে
য ক তর ষ ট র ইর – মধ্যপ্রাচ্যের স্থায়ী শান্তি অব্যাহত রাখতে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে। এতে হরমুজ প্রণালি আবার পুরোপুরি খুলে দেওয়া হতে পারে বলে জাপানের সংবাদপত্র নিক্কেই জানিয়েছে। কর্মসূচি প্রস্তাবের পর ইরান তিন সপ্তাহের মধ্যে সামুদ্রিক মাইন সরিয়ে ফেলবে বলে কূটনৈতিক সূত্রে খবর ছিল। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এরপর বিশ্বের সব দেশের জাহাজ স্বাধীনভাবে চলাচল করতে পারবে।
হরমুজ প্রণালি বৈশ্বিক তেল পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ পথ। মধ্যপ্রাচ্যে প্রচুর পরিমাণ অপরিশোধিত জ্বালানি তেল এই পথ দিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে যায়। তাই এ অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায় তখন বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়। গবেষকদের মতে, প্রণালি খুলে গেলে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হতে পারে। এতে পরিবহন ব্যয় ও তেলের দাম কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
এতে বাজারে অস্থিরতা কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দুই দেশের আলোচনা চলবে কার্যকর শান্তিচুক্তির পর। আন্তর্জাতিক বাজারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব পড়ছে ইরান চুক্তি কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনার কারণে।
গত এপ্রিলে যে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়েছিল, তা আরও দুই মাস ব্যাপী দীর্ঘায়িত হতে পারে। এছাড়া একটি বিশ্লেষক জানায়, চুক্তি প্রস্তাবের ফলে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম প্রায় ৬ শতাংশ কমেছে। তবে তিনি সতর্ক করেন যে স্থায়ী চুক্তি না হলে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে না।
তেল পরিবহনের ক্ষেত্রে বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খোলার সম্ভাবনা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতার পর স্থাপিত হতে পারে। এই প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন আন্তর্জাতিক বাজারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অপরিশোধিত তেল আনীত হয়। যখন এই অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়, তখন জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়।
সম্ভাবনা ও প্রভাব
নিক্কেই আলোচনা করেছে যে শান্তিচুক্তি কার্যকর হওয়ার পর ইরান এক মাসের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে। এটি আন্তর্জাতিক জ্ব
