সিরিয়ায় আসাদ সরকারের রাসায়নিক অস্ত্র কর্মসূচির নতুন প্রমাণ উদ্ধার
স র য় য় আস দ র – সিরিয়ায় আসাদ সরকারের গোপন রাসায়নিক অস্ত্র কর্মসূচির নতুন প্রমাণ খুঁজে পাওয়া হয়েছে। দীর্ঘ সময়ব্যাপী গৃহযুদ্ধের পর আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলির সহায়তায় পরিচালিত একটি অভিযানে রাসায়নিক অস্ত্র, কাঁচামাল এবং সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি উদ্ধার করা হয়েছে। এই উপাদানগুলি সাবেক গ্যাস হামলার সঙ্গে মেলে।
আটককৃত ব্যক্তিদের তথ্য বিশ্লেষণ
অভিযানে সামরিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে গোপনীয় কর্মসূচিতে জড়িত ব্যক্তিদের মোকাবিলা করা হয়েছে। আটককৃতদের মধ্যে সারিন গ্যাস তৈরির জন্য ব্যবহৃত হেক্সামিন নামক রাসায়নিক পদার্থ পাওয়া গেছে। কয়েকজন আসাদ সরকারের জ্যেষ্ঠ জেনারেলও অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। তাদের পরিচয় সংক্রান্ত তদন্ন চলছে।
কাতুব বলেন, এই উপাদানগুলি রাসায়নিক অস্ত্র কার্যক্রম নিরাপদে সংরক্ষণ করতে সহায়ক। বৃহত্তর ঝুঁকি এবং গোপনীয়তার মধ্যেও অভিযানটি সফল হয়েছে।
প্রমাণের সাথে সাথে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলি ঘোষণা করেছে যে সিরিয়ায় প্রায় ১০০টি স্থানে আরও গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে। পরিচালিত অভিযানে নিক্ষেপযোগ্য বোমা, রাসায়নিক পদার্থ এবং সংশ্লিষ্ট সংরক্ষণ যন্ত্রপাতি পাওয়া গেছে। এগুলি সাবেক হামলার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
অস্ত্র কর্মসূচির অর্থনৈতিক প্রভাব
বর্তমানে সিরিয়ায় আসাদ সরকারের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে প্রায় ৭০টি রকেট ও বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। এগুলি সামরিক ক্ষেত্রে গোপনীয় কর্মসূচির স্বাক্ষরিত তথ্যের সঙ্গে মিলে। এই সনদগুলি আসাদ সরকারের রাসায়নিক অস্ত্র কর্মসূচি সম্পর্কে আরও পরিষ্কার ধারণা দিতে সহায়ক।
রাসায়নিক অস্ত্রের প্রমাণের সাথে সাথে আসাদ সরকারের গোপন অপারেশন সম্পর্কে প্রতিবেদনে নতুন তথ্য আবিষ্কার করা হয়েছে। গত বছরে ঘুতা ও আল-লাতামিনাহ এলাকায় ব্যবহৃত সারিন গ্যাসের পরিমাণ ব্যাপক হয়েছিল। তাদের সাথে যুক্ত হেক্সামিন রাসায়নিক পদার্থ সংগ্রহ করা হয়েছে।
প্রমাণের পর আসাদ সরকার কর্তৃক ব্যবহৃত রাসায়নিক অস্ত্রের কাঁচামাল বর্তমান সরকার নিশ্চিত করেছে। এই কার্যক্রম সাবেক গৃহযুদ্ধের প্রাণঘাতী হামলার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি নতুন তথ্য বিশ্লেষণ করছেন।
