News

নরসিংদীতে ট্রেনের ধাক্কায় মা-ছেলে নিহত | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

1779909288-5bc5c9eada16103d3a855387621567b8

নরসিংদীতে ট্রেনের ধাক্কায় মা-ছেলে নিহত

ঈদ উপলক্ষে কেনাকাটার পথে মৃত্যুর ঘটনা

Patrikajournal.com – নরস দ ত ট র ন র – ঈদুল আজহা উপলক্ষে নতুন জামা-কাপড় কিনতে নরসিংদী রেলস্টেশনে ট্রেনের ধাক্কায় মা ও ছেলে মৃত্যুবরণ করেন। বুধবার (২৭ মে) রাতে ঘটনা ঘটে। নিহতদের নাম হলো শিবপুর উপজেলার কারারচর এলাকার সুজন মিয়ার স্ত্রী সাথী বেগম (২৭) ও তার ১৮ মাস বয়সী ছেলে সাফওয়ান ওরফে হাসেন। স্বজনদের মতে, সুজন মিয়া দিনমজুর হিসেবে কাজ করেন। তিনি কখনো ইজিবাইক চালান, আবার কখনো রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে দুই সন্তানের সংসার চালান। এই বিপর্যয় ঘটার পর তাদের পরিবারের সদস্যরা নরস দ ত ট র ন র ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ জানান যাচ্ছে সাধারণ মানুষের মাঝে।

বুধবার বিকেলে স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে নরসিংদী শহরে যাওয়ার পর তারা দুই সন্তানের জন্য নতুন জামা-কাপড় কিনে সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরছিল। রেললাইন পার হওয়ার সময় কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় সাথী বেগম ও তার ছেলে গুরুতর আহত হয়। ঘটনাস্থলে স্থানীয় বাসিনদের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে নরসিংদী জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসক মৃত্যু ঘোষণা করেন। নরস দ ত ট র ন র ঘটনার পর বাসিনদের মধ্যে শোকের মেগাফন শোনা গেল।

ট্রেন ধাক্কা ঘটার প্রক্রিয়া এবং ঘটনার পরিচয়

নরসিংদী রেলওয়ে পুলিশের উপ-পরিদর্শক দিলীপ চন্দ্র সরকার জানায়, স্টেশনের এক নম্বর লাইনে ট্রেন দাঁড়িয়ে ছিল। এসময় কক্সবাজার থেকে ঢাকার দিকে যাওয়া এক্সপ্রেস ট্রেন স্টেশন অতিক্রম করছিল। পরিবারটি রেললাইন পার হওয়ার সময় ট্রেনের ধাক্কায় ছিটকে পড়ে। ট্রেনের চালক ও সাবেক পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে নরস দ ত ট র ন র ঘটনার জন্য সাবেক নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করা হয়। এই বিপর্যয় বাংলাদেশের জনপ্রিয় মাঠ থেকে নরস দ ত ট র ন র নিকট অবৈধ ব্যবস্থাপনা করা হয়।

নিহতের স্বামী সুজন মিয়া বলেন, আমার চোখের সামনে স্ত্রী ও অবুঝ সন্তানকে হারালাম। ট্রেন আসতে দেখে অনেক চিৎকার করেছি, আটকানোর চেষ্টা করেছি, কিন্তু বাঁচাতে পারিনি। এবার ঈদ আমি কী নিয়ে করব?

নরস দ ত ট র ন র ঘটনার পর দেশের স্থানীয় সংস্থাগুলো এবং স্বাক্ষরিত নাগরিকদের কাছে তীব্র শোক প্রকাশ করা হয়। পরিবারের সদস্যদের কাছে প্রতিবেদন তৈরি করে ট্রেনের দুর্ঘটনার সম্পূর্ণ বিবরণ কেনাকাটার পথে ছড়িয়ে পড়ে। নিহতদের বাবা সুজন মিয়া বলেন, আমার দুই সন্তান নরস দ ত ট র ন র ঘটনার জন্য সাথে ছিল। তাদের মৃত্যুর পর আমার ঈদ উপলক্ষে আর কেনাকাট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *