ইরানে কুরবানি মাংস বিক্রির সাবসিডিত প্রক্রিয়া
ভর ত ক ম ল য ক – মানুষের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাসের কারণে মাংসের বাজারে সংকট ছড়িয়ে পড়ায় ইরান সরকার প্রতি কেজি ৭৪ লাখ রিয়াল বা প্রায় ৪ দশমিক ৩০ ডলারে কুরবানি মাংস বিক্রির উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। এ ব্যবস্থা মুসলিম বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব কুরবানির জন্য সাধারণ মানুষকে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে নিশ্চিত করার সাথে সাথে খরচ কমানোর উদ্দেশ্যেও প্রবর্তিত হয়েছে।
ইরানে ঈদুল আজহা উৎসব দেশজুড়ে মসজিদ ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে সীমিত পরিসরে পালন করা হয়। এ পরিস্থিতিতে সরকার জনগণের স্বাস্থ্য ও আর্থিক অবস্থার উন্নয়নের জন্য কম দামে মাংস সরবরাহ করার ব্যবস্থা নিয়েছেন। যার ফলে অনেক পরিবারের জন্য লাল মাংস বিলাসী পণ্যে পরিণত হয়েছে বলে জানান তেহরানের এক মধ্যবয়সী নারী।
“আমাদের এলাকায় মাংস এখন বিলাসী পণ্যে পরিণত হয়েছে।”
স্থানীয় শিল্প প্রতিনিধি মাসুদ রাসুলি জানান, গত বছরের তুলনায় দেশে লাল মাংসের চাহিদা প্রায় ৫০ শতাংশ কমে গেছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য জটিলতা, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও অবরোধের কারণে মাংস সরবরাহ সম্পূর্ণ স্থানীয় উৎপাদন নির্ভর করছে। প্রতিদিনের সংবাদ সূত্র বলেন, বর্তমান দাম প্রায় ১০ বছর আগে একটি জীবিত ভেড়ার মূল্যের সমান।
অবরোধ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংকটের কারণে ইরানে বিভিন্ন এলাকায় খোলা বাজারে মাংসের দাম সরকারের নির্ধারিত দামের তিন গুণ পর্যন্ত বেড়েছে। কসাইখানার কর্মী বলেন, সরবরাহকারীদের দাম বাড়ার কারণে গত কয়েক মাসে তাদের দাম কয়েকবার বৃদ্ধি করতে হয়েছে। তবে কুরবানি মাংস বিক্রির ক্ষেত্রে প্রতিদিনের সংবাদ সূত্র বলেন, আনুষ্ঠানিক কেন্দ্রে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে যাতে গরীব মানুষের সুবিধা হয়।
ইরানে সাধারণ শ্রমিকের মাসিক সর্বনিম্ন মজুরি ১০০ ডলারের কম। ফলে ঈদ উপলক্ষে কুরবানি মাংস বিক্রি করা আরও গুরুতর হয়ে উঠছে। এখন কিছু ব্যক্তি লাল মাংসের পরিবর্তে মুরগি বা ডালজাতীয় খাবারের উপর নির্ভর করছেন যার দামও উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
তেহরান সিটি কর্পোরেশনের একটি সংস্থা মঙ্গলবার ঘোষণা করেছে, নির্ধারিত বিক্রয়কেন্দ্রে কুরবানি মাংস সরবরাহ করা হবে প্রতি কেজি ৭৪ লাখ রিয়ালে। খোলা বাজারে একই পরিমাণ মাংস প্রায় তিন গুণ বেশি দামে বিক্রি হতে পারে।
তথ্য সূত্র- আলজাজিরা। বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ ২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম ৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম ৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি ৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম ৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম ৪ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ ৫ ঘণ্টা আগে | �
