News

বাঞ্ছারামপুরে নববধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

বাঞ্ছারামপুরে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার: নববধূ মৃত্যু এবং স্বামী পলাতক ব ঞ ছ র মপ র নববধ - বাঞ্ছারামপুরে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ। ঘটনাটি

Desk News
Published May 29, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

বাঞ্ছারামপুরে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার: নববধূ মৃত্যু এবং স্বামী পলাতক

ব ঞ ছ র মপ র নববধ – বাঞ্ছারামপুরে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ। ঘটনাটি শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে ঘটে। মৃতা সামিয়া সুলতানা (১৯) উপজেলার পাহাড়িয়া কান্দি গ্রামের হুমায়ুন কবীরের মেয়ে। তার স্বামী রুমান (২৫) বাঞ্ছারামপুর উপজেলার হিজুলিয়া কান্দি গ্রামের কামরুল হাসানের ছেলে। রুমান সৌদিপ্রবাসী ছিলেন এবং কয়েক মাস আগে দেশে ফেরেন।

ঘটনার পরিচয়

বাঞ্ছারামপুর থানার কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইয়াছিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মৃতা সামিয়া সুলতানার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি জানান যে পরিবারের সূত্রে জানা গেছে শ্বশুর-শাশুড়ি এবং স্বামী যৌতুক দাবি করেছিলেন। ঘটনার পর থেকে সামিয়াকে হত্যা করে এবং মরদেহ ঝুলিয়ে রেখে দেওয়া হয়।

সামিয়ার বোন শাহিদা আক্তার অভিযোগ করেন, বিয়ের পর থেকে তার শাশুড়ি যৌতুক দাবি করতেন। কিছুদিন আগে রুমান তার বোনকে মারধর করে এবং মানসিক নির্যাতন চালান। তিনি দাবি করেন যে সামিয়া আত্মহত্যা করেনি। ঘটনার পর সামিয়া মৃত অবস্থায় ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রেখে দেওয়া হয়।

বাঞ্ছারামপুরে এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় লোকজন অত্যন্ত চিন্তিত হয়েছে। তারা যৌতুক ও নির্যাতনের ঘটনার প্রতি আহত হয়েছেন। পরিবারের বর্তমান সদস্যরা বাঞ্ছারামপুর ইউনিয়নে জনপ্রিয় নেতাদের সাথে আলোচনা করেছেন ঘটনার বিচার করার জন্য।

পুলিশের প্রতিক্রিয়া এবং সাংবাদিক প্রতিবেদন

বাঞ্ছারামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইয়াছিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান যে মৃতা সামিয়া সুলতানার মরদেহ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ বর্তমানে আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা প্রস্তুত করছে। তারা রুমানকে ধরতে চেষ্টা করছে এবং প্রতিবেদনে বাঞ্ছারামপুর ইউনিয়নের বিষয়টি সম্পূর্ণ আলোচনা করা হচ্ছে।

বাঞ্ছারামপুরের বাসিন্দারা এই ঘটনার প্রতি খুব গুরুত্ব দিয়েছেন। তারা শ্বশুর-শাশুড়ি ও স্বামী এর হাতে ঝুলন্ত মরদেহের প্রতি অস্বাভাবিক চিন্তা প্রকাশ করেছেন। সামিয়া সুলতানার পরিবার বাঞ্ছারামপুর থানার কর্মকর্তাদের প্রতি আন্তরিক আবেদন করেছেন ঘটনার তদন্ন জন্য।

বাঞ্ছারামপুর ইউনিয়নে এই ঘটনার পরিণতি প্রতিক্রিয়া বাড়ছে। স্থানীয় সাংবাদিকরা বিশেষ দৃষ্টি দিয়ে বাঞ্ছারামপুরে নববধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ঘটনাকে স্থানীয় সমাজে গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করছেন। তারা এই মামলার প্রতি বিশেষ সম্মান দিয়েছেন এবং বাঞ্ছারামপুর থানার সাথে যুক্ত হয়েছেন ঘটনার তদন্ন �

Leave a Comment