উল্টে গেছে দাবার চাল, পাকিস্তানকে কোণঠাসা করতে গিয়ে নিজেই চাপে ভারত
উল ট গ ছ দ ব র – আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক পদক্ষেপের কার্যকারিতা নিয়ে। আল জাজিরার একটি বিশ্লেষণে জানানো হয়েছে, গত কয়েক বছরে পাকিস্তান গুরুত্বপূর্ণ ভাবে যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি প্রভাবশালী দেশের সাথে সম্পর্ক বাড়িয়েছে। ফলে বিশ্বমঞ্চে দেশটি আগের তুলনায় বেশি সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।
২০১৬ সালের একটি জনসভায় মোদি বলেছিলেন, পাকিস্তানকে বিশ্বমঞ্চে ‘একঘরে’ করার সংকল্প ভারতের মুখ্য কূটনৈতিক পরিকল্পনার সূত্রে। কিন্তু এক দশক পর পরিস্থিতি ভিন্ন হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, পাকিস্তান বর্তমানে চীন সহ একাধিক শক্তিশালী দেশের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছে। সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও সম্পর্ক উন্নতির দিকে গেছে।
বিশ্লেষক মাইকেল কুগেলম্যান জানান, ভারতের পাকিস্তানবিরোধী কৌশল ‘অনেক ক্ষেত্রে ব্যর্থ’ হয়েছে। পাকিস্তান আরও শক্তিশালী হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে বিশ্বমঞ্চে তাদের অবস্থান।
সাম্প্রতিক সংঘাত এবং তথ্যযুদ্ধে পাকিস্তান আন্তর্জাতিক জনমত গঠনে উল্লেখযোগ্যভাবে সফল হয়েছে। ২০২৫ সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমান্ত উত্তেজনার পর যুক্তরাষ্ট্র মধ্যস্থতা করে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘটে। কিন্তু এ ঘটনা ভারতের কূটনৈতিক অবস্থানকে কিছুটা দুর্বল করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
পাকিস্তানের অগ্রগতির পেছনে চীনের প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বড় ভূমিকা রাখছে। মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের সাথে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে। ভারত সরকার দীর্ঘদিন ধরে জঙ্গিবাদ ও আলোচনা একসঙ্গে চলতে পারে না নীতি অনুসরণ করেছে, যা কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে দক্ষিণ এশিয়ায়।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। দুই দেশের মধ্যে নতুন করে সংলাপ এবং কূটনৈতিক যোগাযোগ ছাড়া স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।
২৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম ১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে ২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম ২ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ ২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম ৩ �
