News

চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে আজ আর্সেনাল-পিএসজি মহারণ | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

b2667ede-04cc-449f-b59a-a46da95f4285-0

চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে আজ আর্সেনাল-পিএসজি মহারণ

Patrikajournal.com – চ য ম প য়নস ল গ – ক্লাব ফুটবলের জন্য জমাট দিয়েছে বিশ্ব মৌসুম শেষে, কিন্তু বিশ্বকাপের সাথে জাতীয় দলের প্রস্তুতি নিয়ে কিছু খেলোয়াড় আগ্রাসন করছে। তবে ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবগুলির খেলোয়াড়দের সম্পূর্ণ দৃষ্টি আজ রাত ১০টায় চ্যাম্পিয়নস লিগের চূড়ান্ত ম্যাচে।

পিএসজির সাফল্য ও রূপান্তর

পিএসজি নিজেদের ইতিহাসে প্রথম চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা জয় করার পর এবার আরও সুবিধাজনক পদক্ষেপ করছে। দীর্ঘদিন ধরে দলটি ইউরোপীয় সাফল্যের জন্য সংগ্রাম করেছে, যার পরিণতি এখন অপেক্ষা করছে। উইলিয়াম সালিবা রক্ষণভাগে প্রধান ভরসা হিসেবে দাঁড়িয়েছেন।

মাঝমাঠে জুবিমেন্দি, রাইস এবং ওডেগার্ড সামনে আসছেন। আক্রমণে আছেন হাভার্টজ ও ইয়োকেরেস। উইংয়ে মাদুয়েকে এবং এজে ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করছেন। বুকায়ো সাকা অবশ্য আগে থেকে দলের প্রধান ভরসা হিসেবে দাঁড়িয়েছেন।

পিএসজির কোচ লুইস এনরিক বলেন, ‘দুই দল একেবারে বিপরীত নয়; বরং আর্সেনাল কোচ আরতেতার চিন্তা ও মানসিকতারই প্রতিফলন।’

আর্সেনালের সাফল্য ও রূপান্তর

গত মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে ২২ বছর পর শিরোপা ফিরিয়ে আসার পর আর্সেনাল আত্মবিশ্বাসে ভরপুর। দুই দলের সেমিফাইনালে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছিল, কিন্তু আর্সেনাল প্রথম লেগে ১-০ হারিয়েও দ্বিতীয় লেগে ২-১ ব্যবধানে জেতে।

আর্সেনালের ফরোয়ার্ড হাভার্টজ বলেন, ‘আমরা আন্ডারডগ কি না, সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। আমরা মাঠে নেমে জয়ের জন্যই খেলব।’

সেমিফাইনালে বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে দুজন খেলোয়াড় গোল করেন। সেই জুটি যদি ফাইনালে আবার জ্বলে ওঠে, তবে পিএসজির শিরোপা ধরে রাখার পথ অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে। দুই দল নিজেদের ইতিহাসে প্রথম চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা জয় করেছে এবং ক্লাব ইতিহাসে দ্বিতীয় শিরোপা অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে রয়েছে।

এ মৌসুমে পিএসজি আক্রমণভাগে দেম্বেলে ও কাভারাস্কেইয়া মূল ভরসা হিসেবে দাঁড়িয়েছে। দুই দলের মধ্যে এবার আরও প্রতিযোগিতা হবে, কারণ আর্সেনাল পুনরুদ্ধার করেছে দেশের লীগের শিরোপা।

ইসলামী জীবন ১৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম ২৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে ২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম ৩৫ মিনিট আগে | নগর জীবন ৩৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে ৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে ৪২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে ৫৫ মিনিট আগে | নগর জীবন ৫৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম ১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দান

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *