News

বামন গ্রহ নাকি পূর্ণাঙ্গ গ্রহ? প্লুটোকে ঘিরে ফের তর্ক-বিতর্ক | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

প্লুটোকে গ্রহ হিসেবে ফিরে আসার আবেদন ও বৈজ্ঞানিক বিতর্ক

Patrikajournal.com – ব মন গ রহ ন ক প – বৈজ্ঞানিক আলোচনার নতুন এক ধাপ পর্যায়ে উঠে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার প্রধান জ্যারেড আইজ্যাকম্যানের সম্প্রতি দাবি। তিনি সিনেটের বাজেট শুনানিতে মন্তব্য করেন যে প্লুটো সৌরজগতের নবম গ্রহ হিসেবে আবার পুনরায় স্বীকৃতি পাবে। তার এই মন্তব্য পরিবর্তনের প্রস্তাব সমর্থন করে সেই বিষয়ে আবার জোরালো আলোচনা হয়েছে।

২০০৬ সালে আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান সংঘ গ্রহের সংজ্ঞা পরিবর্তন করে যে কোনো বস্তু সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে হবে, নিজের মহাকর্ষে গোলাকার হতে হবে এবং কক্ষপথে স্বাধীন পরিবেশ তৈরি করতে হবে। প্লুটো প্রথম দুই শর্ত পূরণ করলেও তৃতীয় শর্ত পরিপূর্ণ করতে পারেনি। এর কারণে কক্ষপথে অন্যান্য ক্ষুদ্র মহাজাগতিক বস্তু থাকা সত্ত্বেও তাকে ‘বামন গ্রহ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

নাসার প্রধান জ্যারেড আইজ্যাকম্যান বলেন, প্লুটোর গ্রহের মর্যাদা পুনর্বহাল হওয়া উচিত।

নাসার ‘নিউ হরাইজনস’ মহাকাশযান প্লুটোকে খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করে। এই অভিযানের তথ্য প্লুটোর সক্রিয় ও বৈচিত্র্যময় পৃষ্ঠ নিয়ে প্রমাণ সৃষ্টি করে। তার কক্ষপথে বিশেষ ধরনের আগ্নেয়গিরি, নাইট্রোজেন বরফের হিমবাহ, পানির বরফের পাহাড় এবং তরল মহাসাগর সম্ভাব্য অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এর পৃষ্ঠের তাপমাত্রা মাইনাস ২২৬ থেকে মাইনাস ২৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যায়।

প্লুটোর পূর্বে তাকে সৌরজগতের নবম গ্রহ হিসেবে মানা হত। কিন্তু নতুন সংজ্ঞার কারণে তার মর্যাদা কমে গেছে। এই সিদ্ধান্তের কারণে সমালোচকদের মতে তখন আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান সংঘের সদস্যদের সংখ্যা ছিল সীমিত। ফলে কিছু বিজ্ঞানী মনে করেন যে প্লুটোর ভূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য, উপগ্রহের উপস্থিতি এবং সম্ভাব্য মহাসাগরের কারণে তাকে পূর্ণাঙ্গ গ্রহ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।

অন্যদিকে বিরোধীদের মতে প্লুটোকে গ্রহ হিসেবে পুনরায় শ্রেণিবদ্ধ করতে সৌরজগতে আরও অনেক বস্তু গ্রহ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে। এটি বিদ্যমান শ্রেণিবিন্যাসকে জটিল করবে। নাসা এই বিতর্কে গ�

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *