বাংলাদেশ সরকার তামাক নিষিদ্ধ করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখছে
ত ম ক র প রভ ব – তামাক প্রভাব থেকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখার লক্ষ্যে সরকার বদ্ধপরিকর হয়ে উঠেছে। বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার কাজে নতুন পদক্ষেপ ঘোষণা করেন। এ দিবসের প্রতিপাদ্য হলো ‘প্রলোভনের মুখোশ উন্মোচন করি, তামাক ও নিকোটিনের আসক্তি প্রতিরোধ করি’ বলে ঘোষণা করা হয়েছে।
তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের বিস্তার
“বাংলাদেশ ২০০৩ সালে এফসিটিসি-তে স্বাক্ষর করে, ২০০৪ সালে অনুসমর্থন দেয় এবং ২০০৫ সালে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন গৃহীত করে। প্রতিবছর নতুন বিধিবিধান গৃহীত হয়ে আইনের ধারাবাহিকতা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।”
নিকোটিন মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করে যার ফলে বিড়ি, সিগারেট, ই-সিগারেট এবং জর্দা সহ যেকোনো তামাকজাত পণ্য হৃদরোগ, স্ট্রোক, বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার এবং ফুসফুসের ব্যাধির প্রধান কারণ হয়ে ওঠে। সরকারের নতুন বিধিবিধানে তামাক সংক্রান্ত প্রচার বন্ধ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
প্রতিবর্ষে তামাক বিজ্ঞাপন, প্রচারণা এবং প্রমোশন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া, ইন্টারনেট, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, অ্যাপস ও ওটিটি প্ল্যাটফর্ম সহ সব মাধ্যমে তামাকের প্রচার বন্ধ করা হয়েছে। করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার আড়ালে তামাক প্রচার বৃদ্ধির চেষ্টা প্রতিরোধ করা হয়েছে।
তামাক বিক্রি ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমানো
সরকার তামাক বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে শিশু পার্ক ও খেলাধুলার স্থানের ১০০ মিটারের মধ্যে। এতে ১৮ বছরের নিচে তামাক ও নিকোটিন পণ্য বিক্রি সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়েছে। আইনে ধূমপান ও ধোঁয়াবিহীন তামাক সেবন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তামাকের প্রভাব কমানোর জন্য আইনে লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে শাস্তি ও জরিমানা বৃদ্ধি করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী জনগণের সমন্বিত অংশগ্রহণ ও সরকারের সমন্বয় করে একটি সুস্থ বাংলাদেশ গড়ে তুলবার প্রতিজ্ঞা জানিয়ে বলেন, তামাক ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের জন্য নতুন বিধিবিধানের কার্যকর প্রয়োগ করা হচ্ছে। এতে জনসচেতনতা বৃদ্ধি তামাক ব্যবহার কমানোর সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যে কার্যকর হবে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে মোট মৃত্যুর প্রায় ৭১ শতাংশ অসংক্রামক রোগে ঘটে। তামাকের প্রভাব কমানো এবং ঝুঁকি কমানো জনস্বাস্থ্য সু
