News

মঠবাড়িয়ায় দুইজনের মরদেহ উদ্ধার, মাটির নিচের পিলার তোলা নিয়ে রহস্য | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

1780231228-75d55f8d65834088afc532f92738b7f9

মঠবাড়িয়ায় দুই মৃতের দেহ উদ্ধারে রহস্য তৈরি

মাটির নিচে পিলার খুঁজার ঘটনা নতুন পর্বে পরিণত

Patrikajournal.com – মঠব ড় য় য় দ ইজন র – মঠবাড়িয়া উপজেলায় একটি ঘটনার কারণে স্থানীয় মানুষের মধ্যে বিস্মিতি ছড়িয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে দুই মৃত ব্যক্তির দেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং এর পরে মাটির নিচে পিলার খুঁজার নতুন পর্বে পরিণত হয়েছে। অপরাধ তদন্ত বিভাগ ও ফরেনসিক টিম এখনও ঘটনাস্থলে গবেষণা চালিয়ে আসছে এবং বিভিন্ন স্থানে খনন কাজ প্রক্ষুণ্ণ করছে। এই ঘটনার প্রতি আস্থার বিপরীতে স্থানীয়দের মধ্যে ভীতির ছায়া ছড়িয়েছে।

তদন্ত চালু হয়েছে আরও গভীর দিকে

“মরদেহগুলোর শরীরে হত্যার সুস্পষ্ট কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর সত্যিকার কারণ বুঝা যাবে। যদি শ্বাসরোধ বা বিষপ্রয়োগে মৃত্যু হয়েছে তাহলে সেটিও বিস্তারিত হবে।”

মঠবাড়িয়া উপজেলার আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের নেহালিয়া মাদ্রাসার পাশে গর্ত খোঁড়া অবস্থায় দেখা গেছে। ঘটনাস্থলে দেখা গেছে একজন মৃত ব্যক্তির দেহ মাটির মধ্যে প্রায় দুই ফুট গভীরতায় পড়ে ছিল। এই স্থানটি বৃটিশ আমলের সীমানা পিলার খুঁজার ঘটনার কাছাকাছি অবস্থিত। পরিবারের সদস্যদের দাবি, শনিবার রাত প্রায় ১১টার দিকে আব্দুর রশিদ বাড়ি থেকে বের হন। তার মেয়ে জানান যে ফোন কল পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান এবং পরে তার মোবাইল ফোন বন্ধ হয়ে যায়। এই ঘটনার পর নিখোঁজ হয়েছে আব্দুস সাত্তার প্যাদার ছেলে ইউসুফ প্যাদার নামে একজন ব্যক্তি। তার স্থানে পিলার খুঁজার সম্ভাবনা বাড়ছে।

অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে সন্ধান চালু

মঠবাড়িয়ায় এই ঘটনার সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন সন্ধান চলছে। অপর মৃত ব্যক্তি মো. সাগর কালু মিয়ার ছেলে। তার ছোট ভাই বলেন যে ঘটনার রাতে তিনজন অজ্ঞাত ব্যক্তি তাদের বাড়ি আশপাশে ঘোরাফেরা করে। টর্চের আলো ফেললে তারা দ্রুত সেখান থেকে চলে যায়। এই ঘটনার পরে মঠবাড়িয়ায় চলছে সামাজিক আলোচনা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মাটির নিচে পিলার খুঁজার ঘটনার প্রতি সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। এই পিলারগুলো হতে পারে অপরাধের প্রমাণ বা আস্থার প্রতীক। তদন্ত বিভাগ এখন এই পিলার সম্পর্কে গুরুত্ব দিচ্ছে এবং সম্পূর্ণ পরিদর্শন করছে। ঘটনাস্থলে অবস্থান করা ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে যে কি কারণে ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয় সম্প্রদায়ের ভীতি বৃদ্ধি পেয়েছে

আব্দুর রশিদ ও মো. সাগরের মৃত্যু ঘটার পর স্থানীয় সম্প্রদায় বিস্মিত হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা বিশ্বাস করেন যে পিলারগুলো সংশুদ্ধ কারণ হতে পারে। এখন আরও অনেক পরিবার নিজেদের প্রতিবেদন দিয়েছে। কিছু মানুষ মনে করেন যে ঘটনাটি বৃটিশ আমলের সীমানা সম্পর্কে একটি পর্যায়ে ঘটেছে। যার সাথে সম্পর্ক রয়েছে বলে আশাকৃত মনে করছেন।

মঠবাড়িয়ায় এই ঘটনার কারণ খুঁজতে তদন্ত বিভাগ এখন পর্যায়ক্রমে গবেষণা চালিয়ে আসছে। বিশেষ নিয়মে গর্ত খোঁড�

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *