পানির নিচে ড্রোন বানাবে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন এবং অস্ট্রেলিয়া
প ন র ন চ র ড্রন প্রযুক্তি বিকাশে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন এবং অস্ট্রেলিয়া সম্মিলিত ভাবে কাজ করছেন। আগামী বছরের মধ্যে এই তিনটি দেশ সামুদ্রিক ক্ষেত্রে মানববিহীন ড্রোন বিকাশে বিশেষ আগ্রহ দেখাচ্ছেন, যেটি প্রতিরক্ষা এবং সুরক্ষা ব্যবস্থার প্রয়োজনীয় হবে। যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি ঘোষণা করেন যে তাঁদের দেশ এই প্রকল্পে প্রায় ১৫০ মিলিয়ন পাউন্ড বিতরণ করবে।
অ্যাকুস প্রকল্পের লক্ষ্য
অ্যাকুস প্রকল্পের মাধ্যমে তিনটি দেশ সমুদ্রগর্ভে গোপন অভিযান এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অর্থাত আকুস প্রযুক্তি বিকাশে জোট গঠন করছেন। এই প্রকল্প দূরপাল্লার হাইপারসনিক মিসাইল, রোবোটিক্স এবং এআই ব্যবহার করে সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে পরিকল্পিত। এটি সম্পূর্ণ আকুস প্রযুক্তি উন্নয়ন করতে সক্ষম হবে, যে কাজ বর্তমান সময়ে সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয়।
অ্যাকুস কীভাবে কাজ করবে
এই প্রকল্পের জন্য ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং অস্ট্রেলিয়া সমন্বয় করছেন যাতে সমুদ্র সংক্রান্ত গোপন অভিযান সফল হতে পারে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হিলি বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে আকুস প্রকল্পে কথা বলেছি, কিন্তু আজ এটি গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহ করতে শুরু করেছি।” এই সম্মেলনে তিন সরকার একটি একীকৃত কর্মসূচি তৈরি করেছে যে কাজে এগিয়ে দেখা যাবে।
২০২১ সালে যুক্তরাজ্যের পারমাণবিক প্রপালশন প্রযুক্তি বিকাশে অংশ নিয়েছিল, কিন্তু অস্ট্রেলিয়ায় এটি সামরিক সক্ষমতার সংস্করণ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ মনে হচ্ছে। রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র দুই দেশ বর্তমান সাবমেরিন এবং আকুস প্রযুক্তি করে দুর্দান্ত ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।
বাল্টিক সাগরে কেবল ক্ষতিগ্রস্থ হওয়া খবর প্রকাশ করা হয়েছে। এই ঘটনা সুরক্ষার জন্য আকুস প্রযুক্তি করা দরকার বলে স্থির করেছে। গত কয়েক বছরে রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক সুস্থ থাকার সময়ে বিশেষ মনোনয়ন পেয়েছিল।
যুক্তরাজ্য প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিলি বলেন, “আগামী বছরে আমাদের প্রয়োজন হবে সাবমেরিন কাজ করার একটি একীকৃত ব্যবস্থা।” এটি আকুস প্রযুক্তি করে এবং এখন সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবে।
২০৪০ এর দশকে এই প্রকল্পের ফলে সাবমেরিন কাজ করবে। অস্ট্রেলিয়া যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক সাবমেরিন কিনবে এবং প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত উন্নয়ন করবে। এই নতুন প্রযুক্তি যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রিটেনের সম্পর্ক প্রশংসনীয় হবে।
