রাজনৈতিক ছায়ায় রয়েছে ১১টি বাহিনী
র জন ত ক ছত রছ য় – চট্টগ্রামের বায়েজিদ-ফৌজদারহাট সংযোগ সড়কের পাশে গোটা পাহাড় চিড়ে করে প্রবেশ করেছে একটি সূক্ষ্ম পথ। জঙ্গল সলিমপুর গহিনে এ পথ ধরে প্রবেশ করে বাস্তব জীবনের নিশ্চিহ্ণ। সড়ক প্রবেশ করে বিপরীত দিকে পাহাড়ের দিকে প্রবেশ করে সেই সংকটপূর্ণ এলাকা।
রাজনৈতিক ছায়ায় তিনটি কাগুজে সমিতির আড়ালে রয়েছে ১১টি সশস্ত্র বাহিনী যারা পাহাড় কেটে প্লট বাণিজ্যে সচেষ্ট হয়েছে। প্রায় চার দশক ধরে সরকারি খাসজমি দখল ও ত্রাসের রাজত্ব এ এলাকায় স্থায়ী হয়ে রয়েছে। ক্ষমতা পালাবদল হয়, কিন্তু জঙ্গল সলিমপুরের ভাগ্য বদলায়নি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘জঙ্গল সলিমপুর আর কোনো বিচ্ছিন্ন সন্ত্রাসীদের এলাকা থাকবে না। থাকবে না কোনো অভয়ারণ্য। রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে যারা চ্যালেঞ্জ করার দুঃসাহস দেখিয়েছে, তাদের আশ্রয়স্থল কোথায় আমরা দেখতে চাই না। সর্বশেষ আস্তানা আমরা নির্মূল করব।’
এলাকাটি সারি সারি টিনের চালার নিচে আঁকড়ে আছে হাজারো মানুষের অনুভব। সরকারি খাসজমি দখলের প্রথম ধাপ নব্বইয়ের দশকের শেষ ভাগ ও ২০০০ সালের শুরুতে গোটা ক্ষতচিহ্ন বানানো হয়েছে। ছিন্নমূল বস্তিবাসীদের পুনর্বাসন করতে গিয়ে সেখানে ভূমি দখলকারী সিন্ডিকেট গঠিত হয়।
চট্টগ্রাম মহানগর ছিন্নমূল বস্তিবাসী সমাজকল্যাণ সমিতির নিয়ন্ত্রক রোকন উদ্দিন মেম্বার বাহিনীগুলোকে আড়ালে সহায়তা করছেন বিএনপির এক প্রভাবশালী নেতা। আগে তাদের পৃষ্ঠপোষকতা করতেন আওয়ামী লীগের দুই সাবেক এমপি দিদারুল আলম এবং এস এম আল মামুন।
বর্তমানে জঙ্গল সলিমপুর নিয়ন্ত্রণ করছে তিনটি প্রধান সন্ত্রাসী বাহিনী। আলীনগর এলাকার কাজ করছেন শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াসিন মিয়া, যিনি আলীনগর বহুমুখী সমবায় সমিতির আড়ালে কার্যক্রম চালাচ্ছেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর তিনি মহিরুহে পরিণত হন।
জঙ্গল সলিমপুরে সরকারি খাসজমি দখল করে শত শত কোটি টাকার অবৈধ বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে সিন্ডিকেট। এক্সকাভেটর দিয়ে পাহাড় কেটে প্রতি মাসে কোটি কোটি টাকার চাঁদাবাজি চালানো হচ্ছে প্লট তৈরির বিপরীতে। সংকট প্রকাশ্যে রয়েছে বাস্তব জীবনের সঙ্গে গুঢ় সম্পর্ক।
সন্ত্রাসী বাহিনীগ
