News

উচ্চ মূল্যস্ফীতির প্রভাবে কমেছে পশু কোরবানি | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

1780289002-5249161990b3ae678ad0b1f18a6cc743

উচ্চ মূল্যস্ফীতির প্রভাবে কমেছে পশু কোরবানি

Patrikajournal.com – উচ চ ম ল যস ফ ত – উচ্চ মূল্যস্ফীতি চালু হওয়ার পর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পশু কোরবানি সম্পর্কে কম ক্রয়ক্ষমতা দেখা দিয়েছে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর যে পরিমাণ কোরবানির পশু চাহিদা নির্ধারণ করেছিল তার তুলনায় বেশি বিভাগে চাহিদার চাপ কমে গেছে। এ কারণে কোরবানিযোগ্য পশুর একটি বড় হার উদ্বৃত্ত হয়েছে। এতে চাষী, খামারি ও মৌসুমি ব্যবসায়ীদের মুনাফা কমে গেছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতি নীতি বাজারের সমস্ত খাদ্য ও খামারি সামগ্রী প্রতিদিন দাম বৃদ্ধি করেছে, যা এতে বিশেষ করে কোরবানি পরিবর্তনে প্রভাব ফেলেছে।

ময়মনসিংহ বিভাগে কম কোরবানি

ময়মনসিংহ বিভাগে কোরবানির পশু চাহিদা সাধারণত অনুমানে ছিল ৫ লাখ ৬০ হাজার। তবে গত কয়েক মাসে মূল্যস্ফীতি উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন বিভাগে পশু কোরবানির পরিমাণ কমে গেছে। বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ অফিসের পরিচালক ডা. মনোরঞ্জন ধর গতকাল জানিয়েছেন, পরিমাপ করা হয়েছে আনুমানিক ৩ লাখ ৭০ হাজারটি পশু কোরবানি হয়েছে। তিনি বলেন, এটি চূড়ান্ত তথ্য নয়, কারণ মূল্য বৃদ্ধির কারণে বিভিন্ন বিভাগে উৎপাদন কমছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতি কারণে প্রতি কোরবানি পশুর দাম দুই থেকে তিন দশমিক শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

গতবারের তুলনায় ময়মনসিংহ বিভাগে পশু কোরবানি কমেছে। প্রাথমিক হিসাবে ১৩ হাজার পশু কম হয়েছে এবার। এ কারণে খামারি এবং বাজারে হাজার অংশ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে ব্যবসায়ীদের মুনাফার হার কমেছে।

খুলনা বিভাগে পশু কোরবানির পরিমাণ

খুলনা বিভাগে উচ্চ মূল্যস্ফীতি কারণে কোরবানির পরিমাণ কমেছে। অধিকাংশ বিভাগ যে পরিমাণ উপস্থিতি ছিল তার তুলনায় এখন দেখা যাচ্ছে কম পশু কোরবানি হয়েছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতি অবস্থায় বাজারে খামারি সামগ্রী দাম উঠেছে, যা উপভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতা কমিয়ে দিয়েছে। কোরবানি পরিবর্তন কারণে দেশের কোরবানি প্রতিষ্ঠানগুলো আরও চাপে পড়েছে।

মূল্যস্ফীতির চাপ বিভাগে বিভিন্ন আকারে

পশু কোরবানির কমতি দেখা যাচ্ছে মূল্যস্ফীতি নীতির কারণে বিভাগগুলো বিশেষ করে দ্বিতীয় শ্রেণীর ক্ষেত্রে পরিলক্ষিত হয়েছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতি বাজারে প্রতি মাসে বেশি দামে পশু বিক্রি হচ্ছে, যা উপভোক্�

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *