দুবাইয়ে নেতানিয়াহুর গোপন সফরের দাবি আমিরাত নাকচ করেছে
দ ব ইয় ন ত ন য় – ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতে গোপন সফর করেছেন বলে তাঁর কার্যালয় দাবি করেছে। তবে আমিরাত সরকার এই খবরটিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে অভিহিত করেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে এই সফর নিয়ে কোনো স্বচ্ছ প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
নেতানিয়াহু ও আমিরাতের সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা
বুধবার প্রকাশিত একটি বিবৃতিতে আমিরাত জানিয়েছে যে তাদের সম্পর্ক ইসরায়েলের সাথে প্রকাশ্য। গোপন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বজায় রাখা হয় না বলে তারা জাহির করেছেন। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু যে দুবাইয়ে গোপন সফরে যান এবং সেখানে আমিরাত প্রেসিডেন্টের সাথে বৈঠক করেন তা সম্পূর্ণ অস্বাক্ষরিত বলে দাবি করেছেন। এই বৈঠকে যুদ্ধ চলাকালীন আমিরাতের সাথে ইসরায়েলি সম্পর্ক বাড়তে সাফল্য অর্জিত হয়েছে বলে ইসরায়েলি কার্যালয় দাবি করেছে।
ইরানি হামলার মুখে আমিরাতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইসরায়েল দেশটিতে আয়রন ডোম প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও প্রয়োজনীয় জনবল পাঠিয়েছে বলে গত মঙ্গলবার মাইক হাকাবি মার্কিন রাষ্ট্রদূত ইসরায়েলে নিশ্চিত করেছেন। এ বিষয়টি আমিরাত সরকার জানিয়েছে যে তারা কোনো প্রকার গোপন বৈঠক করেছে না।
আমিরাত ও ইসরায়েলের সম্পর্ক কীভাবে গঠিত হয়েছে?
আমিরাত এবং ইসরায়েলের মধ্যে কৌশলগত সম্পর্ক মূলত ২০২০ সালের আব্রাহাম অ্যাকর্ডের পর দৃঢ় হয়েছে। তবে এখন তাদের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠা ভাবমূর্তি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর বড় ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। এ সম্পর্কে তাদের বৈঠক সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির প্রমাণ হতে পারে বলে ইসরায়েলি পক্ষ মনে করে।
বৈঠকের পরিণতি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। যুদ্ধ চলাকালীন সেনাবাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের প্রধান ডেডি বারনিয়া আমিরাত সফর করেছেন বলে সূত্রে জানানো হয়। এটি আমিরাত ও ইসরায়েলের সম্পর্ক গঠনে অবদান রেখেছে বলে তারা দাবি করেছে।
দুবাইয়ে নেতানিয়াহুর গোপন সফর নিয়ে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় তুলে ধরেছে যে এটি ইরানের বিরুদ্ধে সম্পর্ক প্রবর্ধনের লক্ষ্যে করা হয়েছে। তবে আমিরাত সরকার এই খবরটি ভিত্তিহীন বলে ঘোষণা করেছে। দুবাইয়ে আমিরাত প্রেসিডেন্টের সাথে কোনো সম্পর্কের সংঘটন হয়নি বলে তারা
