বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমেছে কারণে কী সমস্যা?
ব শ বব জ র স বর – বিশ্বের সামরিক অবস্থা এবং মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ বৃদ্ধির সাথে সাথে স্বর্ণের দাম প্রায় ২ শতাংশ কমেছে। এই পরিবর্তন মধ্যপ্রাচ্যে অবিশ্বাস প্রবৃদ্ধি এবং সুদের হার বৃদ্ধির ফলে ঘটেছে। এই পরিস্থিতিতে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মূল্যও হ্রাস পেয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স তাদের প্রতিবেদনে বলেছে যে শুক্রবার দুই সপ্তাহের সর্বোচ্চ মূল্যের পর সোমবার (১ জুন) স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম প্রতি আউন্স ৪,৪৫১.৬৫ ডলারে নেমেছে। মার্কিন স্বর্ণের ফিউচার ডেলিভারি জুন মাসের জন্য প্রতি আউন্স ৪,৪৭৯.২০ ডলারে পতনের পরিণতি ঘটেছে।
“দীর্ঘদিন উচ্চ সুদের হার বজায় রাখার প্রত্যাশা স্বর্ণের বাজারে চাপ সৃষ্টি করছে। বন্ড ইল্ড বৃদ্ধি থামলে বা সুদের হার স্থিতিশীল হলে স্বর্ণের বাজারে কিছুটা স্বস্তি আসতে পারে।” – আমেরিকান গোল্ড এক্সচেঞ্জের বিশ্লেষক জিম উইকফ
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমার প্রধান কারণ হিসেবে ডলারের শক্তি উল্লেখযোগ্য। ডলার শক্তিশালী হলে সেই মূল্যে নির্ধারিত ধাতুগুলো অন্যান্য মুদ্রার ক্রেতাদের জন্য ব্যয়বহুল হয়ে ওঠে। এটি চাহিদা কমায় এবং স্বর্ণ বাজার চাপ পায়।
সপ্তাহান্তে ইরানের সামরিক লক্ষ্য বিষয়ে মার্কিন হামলার পর ইরান পাল্টা হামলা চালিয়েছে। তাসনিম সংবাদ সংস্থা বলেছে যে ইরানের আলোচক দল মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে। এই ঘটনার ফলে তেলের দাম আরও বেড়েছে। এটি মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কাকে আবার উত্তেজিত করেছে।
“ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলে এবং জ্বালানি সংকট কমতে শুরু করলে বিনিয়োগকারীদের আবারও মৌলিক বিষয়গুলোতে মনোযোগ দেবার প্রবণতা দেখা দেবে।” – সিএমই গ্রুপের বিশ্লেষক ওলে হ্যানসেন
গৃহীত ডেটা অনুযায়ী বছর শেষে যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার বৃদ্ধির প্রায় ৫৬ শতাংশ সম্ভাবনা রয়েছে। এটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য আশা করা হচ্ছে। বিশ্ববাজারে স্বর্ণ আরও বেশি চাপে পড়েছে কারণ এতে সুদ বা মুনাফা পাওয়া যায় না।
অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর বাজারে পতনের পরিণতি দেখা গেছে। স্পট র�
