News

ভয়াবহ বর্ণনা স্বজন প্রতিবেশীর সাক্ষীতে | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

1780423506-faf77c9a4b31e883b4ad9f5dcca7ac0e

ভয়াবহ বর্ণনা স্বজন প্রতিবেশীর সাক্ষীতে

আদালত সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করেছে

Patrikajournal.com – ভয় বহ বর ণন স বজন প – রাজধানী ঢাকার পল্লবীতে এক সাত বছর বয়সী শিশু রামিসার ধর্ষণ ও হত্যার মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ আজ শেষ হয়েছে। মামলাটি সম্পর্কে মোট ১৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জন প্রতিবেশী ও মামলার বিচ্ছেদ প্রতিবেশীর সাক্ষ্য প্রদান করেছেন। বিচারক মাসরুর সালেকীন গতকাল মামলার প্রতিবেশী সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

বাবা ও মা কথাসমাপ্তি করেছেন

প্রতিবেশী আবু সামা আদালতে বলেন, সকালে নাশতা করে বাসা থেকে বের হয়েছিলাম। পরে রামিসার মা ডাকাডাকি করলে ফিরে আসি। তিনি বলেন, রামিসাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এক ফ্ল্যাটে অনেক ডাকাডাকির পরও দরজা খোলা হচ্ছিল না।

বাসায় পৌঁছে দেখেন ভবনের সামনে অনেক লোকজন জড়ো হয়েছে। পরে তৃতীয় তলায় আসামিদের ফ্ল্যাটে গেলে তার স্ত্রী তাকে জানান, রামিসা পাশের ফ্ল্যাটের ভিতরে আটকা রয়েছে। ভিকটিমের বাবা আবদুল হান্নান আদালতে বলেন, ঘটনার দিন ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে অফিসের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হন। ক্যান্টনমেন্ট হয়ে বনানী কাকলীতে পৌঁছে অফিসে যাওয়ার পর স্ত্রী পারভীন আক্তারের ফোন পেয়ে দ্রুত বাসায় ফিরে আসেন।

মা ও বোন কথাসমাপ্তি করেছেন

রামিসার মা পারভীন আক্তার আদালতে বলেন, ঘটনার দিন সকালে রান্নার কাজ করছিলেন। বড় মেয়ে রাইসাকে ছোট মেয়ে রামিসাকে নিয়ে চাচার বাসায় যেতে বলেন। পরে রান্নাঘরে থাকা অবস্থায় শিশুদের শব্দ না পেয়ে তিনি ধারণা করেন তারা চলে গেছে। কিছুক্ষণ পর তিনি চিৎকারের শব্দ শুনলেও সেটি দূরে মনে হয়েছিল বলে জানান।

তিনি আদালতে জানান, গেটের সামনে গিয়ে দরজা খোলা দেখতে পান। বড় মেয়ে ফিরে এলে রামিসাকে না পেয়ে ভবনের বিভিন্ন তলায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে তৃতীয় তলায়

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *