হজ ফ্লাইটে প্রায় ১৫০ হাজির লাগেজ কেটে চুরির অভিযোগ ভিত্তিহীন: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স
১৫০ হ জ র ল গ জ – বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সম্প্রতি হজ ফ্লাইটে প্রায় ১৫০ হাজির লাগেজ কেটে মালামাল চুরির অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য বলে ঘোষণা করেছেন। সংস্থার তদন্ত প্রতিবেদনে স্পষ্ট করা হয়েছে যে ঢাকা বিমানবন্দরে হজ ফ্লাইটে লাগেজ হ্যান্ডলিং প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের চুরি বা লাগেজ মিসহ্যান্ডেলিং পরিচয় পাওয়া যায়নি। এটি নিশ্চিত করতে সিকিউরিটি অথরিটি ও তদন্ত কমিটি নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
বিশেষ ফ্লাইট কেটে লাগেজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল কি?
২ জুন জেদ্দা থেকে ৪১৯ জন হাজি নিয়ে বিশেষ ফ্লাইট ‘বিজি ৩১০৪’ ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ফ্লাইটের লাগেজ হ্যান্ডলিং প্রক্রিয়ায় সিকিউরিটি অথরিটির উপস্থিতিতে প্রায় ৮৩৬টি ব্যাগ বিতরণ করা হয়েছিল। তবে সৌদি আরব থেকে আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী জমজমের পানি, শ্যাম্পু ও খেজুর সহ তরল পদার্থ বহন করা নিষিদ্ধ। ফ্লাইটে যাত্রীদের সম্পর্কে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে লাগেজ কেটে মালামাল চুরির অভিযোগ ভিত্তিহীন।
তদন্তের ফলাফল অনুযায়ী সিসিটিভি ফুটেজ এবং বডি-ওর্ন ক্যামেরার ভিডিও বিশ্লেষণে দেখা গেছে সৌদি আরব থেকে অন্তত ২১টি লাগেজ ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় হ্যান্ডলিং স্টাফ গ্রহণ করেছেন। কিন্তু মালামাল হারানোর কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বিমান কর্তৃপক্ষ ব্যাখ্যা দিয়েছেন যে লাগেজ কাটার প্রক্রিয়াকে কখনও কখনও ভুলভাবে চুরির হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়।
লাগেজ হ্যান্ডলিং প্রক্রিয়ার সত্যতা প্রমাণ করা হয়েছে
পরীক্ষার পরিস্থিতিতে প্রতিবেদনে প্রমাণ করা হয়েছে যে ফ্লাইট অবতরণের পর রাত ২টা ৫২ মিনিটে চকে পৌঁছেছিল। মাত্র কয়েক মিনিটে ব্যাগ খালাস শুরু হয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে প্রায় ১৫০ হাজির লাগেজ কেটে চুরি হয়েছে এই অভিযোগ কোনো সত্যতা ছাড়া বলে জানানো হয়েছে। এয়ারপোর্টের সিকিউরিটি প্রক্রিয়া ও কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে সব ব্যাগ সঠিকভাবে হ্যান্ডল করা হয়েছিল।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স জানায় যে তাদের সেবার মাধ্যমে লাগেজ সঠিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি না সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার জন্য তদন্ত করা হয়েছে। প্রতিবেদনে স্পষ্ট করা হয়েছে যে ফ্লাইট সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো ধরনের সংঘটনা �
