ডিসি-এসপি পরিচয়ে চাঁদাবাজি করতেন তিনি
নওগাঁ ডিবি পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে চাঁদাবাজী করা ব্যক্তিকে
ড স এসপ পর চয় চ দ – নাইম হোসেন (২৮) নামে একজনকে ডিবি পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে চাঁদাবাজি করার অভিযোগে। তার কাছ থেকে চারটি মোবাইল ফোন ও ৩৮টি সিম কার্ড জব্দ করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে বগুড়ার সান্তাহার থেকে অভিযান চালানো হয়।
নাইম হোসেন নাইম আদমদীঘি উপজেলার নামা পোওতা এলাকার বাবুর ছেলে। পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম বলেন, তিনি কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে মানুষকে প্রতারণা করতেন। সাধারণ কর্মকর্তাদের নামে আইনি মামলা করতেন কিংবা আইনি দাবি তুলে টাকা চাইতেন।
পুলিশ সুপার বলেন, ২৫ মে তিনি এক ব্যক্তিকে ফোন করে বলেন, ‘আপনার ওষুধ সেবন করে এক শিশু মারা গেছে। টাকা দিলে আপনার নামে মামলা হবে।’ তারপর দোকানি ভয়ে নগদ নম্বরে ২ হাজার ৩০০ টাকা পাঠান। ৩০ মে তিনি এক ব্যবসায়ীকে আরও ভয় দেখান, ‘আপনার দোকান থেকে অনলাইন জুয়ার লেনদেন হয়। আপনাকে ৪০ হাজার টাকা দিতে হবে।’
এ অভিযোগ পেয়ে জেলা গোয়েন্দা ও আইসিটি শাখা দ্রুত ক্রিয়া নেয়। তথ্যপ্রযুক্তি এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে নাইম জানান, কখনো ডিসি কখনো এসপি পরিচয় দিয়ে মানুষকে টাকা চাইতেন।
নাইম হোসেনকে মঙ্গলবার রাতে সান্তাহার থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যেখানে ডিবি পুলিশের একটি দল তাকে বিহার করেছে। এ পর্যায়ে জাল পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি করা মামলা সম্পূর্ণ হয়েছে।
গতকাল এ তথ্য জানান নাওগাঁর পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম।
ডিবি পুলিশ বিহার করেছে নাইম হোসেনকে চাঁদাবাজি করার অভিযোগে। তার কাছ থেকে নম্বরে চারটি মোবাইল ফোন ও ৩৮টি সিম কার্ড জব্দ করা হয়েছে। অভিযান চালানো হয় বগুড়ার সান্তাহার থেকে।
নাইম হোসেন একজন বাবুর ছেলে। এই মামলার আগে তিনি কখনো ডিসি কখনো এসপি পরিচয় দিয়ে মানুষকে চাঁদাবাজি করতেন। তার বিরুদ্ধে জাল পরিচয় দিয়ে আরও আক্রমণ চালানো হয়।
তার পরিচয় দিয়ে মানুষকে প্রতারণা করতেন তিনি। তার নামে আইনি মামলা করতেন কিংবা প্রতারণার কারণে টাকা দাবি করতেন। সে কারণে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সুপার বলেন, ডিবি পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে তাকে খুঁজে পায়। এসব অভিযোগ পেয়ে তারা ক্রিয়া নেয়। অবশেষে নাইম হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
নাইম হোসেনের কাছ থেকে মোবাইল ফোন ও সিম কার্ড জব্দ করা হয়। তিনি সাধারণ মানুষের সাথ
