News

ইন্টারপোলের রেড নোটিশভুক্ত বাংলাদেশি লিবিয়ায় গ্রেফতার | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

বাংলাদেশি নাগরিক লিবিয়ায় গ্রেফতার হয়েছেন ইন্টারপোলের রেড নোটিশের আওতায় ইন ট রপ ল র র ড - ইন্টারপোলের পুলিশ অর্গানাইজেশন এবং বাংলাদেশের ক্রিমিনাল তদন্ত

Desk News
Published June 4, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Foto : Michael Martin - patrikajournal.com

বাংলাদেশি নাগরিক লিবিয়ায় গ্রেফতার হয়েছেন ইন্টারপোলের রেড নোটিশের আওতায়

Patrikajournal.com – ইন ট রপ ল র র ড – ইন্টারপোলের পুলিশ অর্গানাইজেশন এবং বাংলাদেশের ক্রিমিনাল তদন্ত বিভাগের সহযোগিতায় নাজরুল ইসলাম মোল্লা নামে এক বাংলাদেশি ব্যক্তি লিবিয়ার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্বারা গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে দেশটির কারাগারে বন্দী হয়েছেন। ইতিমধ্যে আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদনে বাংলাদেশকে তাঁর গ্রেফতার বিষয়টি জানানো হয়েছে।

হত্যার সঙ্গে যুক্ত গুরুতর অভিযোগ

ইন্টারপোলের ওয়েবসাইটে নাজরুলের বিরুদ্ধে মানব পাচার, মুক্তিপণ চেয়ে হত্যা এবং নির্যাতনের মতো গুরুতর অভিযোগ বিদ্যমান। তিনি সংঘবদ্ধ মানব পাচারকারীদের সাথে অবৈধ লাভের উদ্দেশ্যে জড়িত হয়েছেন। চাকরির প্রলোভন দেখানো হয়েছিল এবং প্রতারণার মাধ্যমে অবৈধভাবে আটক করে রেখে হত্যা করার অভিযোগ রয়েছে।

লিবিয়ায় নাজরুলকে গ্রেফতারের বিষয়টি আমাদের জানানো হয়েছে। তাঁকে দেশে আনা গেলে মানব পাচারের সংশ্লিষ্ট অনেক তথ্য বেরিয়ে আসবে।

২০২০ সালের মে মাসে লিবিয়ার মিজদাহতে মানব পাচারকারীদের গুলিতে ২৬ বাংলাদেশি মারা যান। এই ঘটনার প্রতিবেদনে নাজরুল অন্যতম আসামি হয়েছিলেন। তিনি দেশের বাইরে দীর্ঘ সময় পালিয়ে ছিলেন। গ্রেফতারের পর দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

গ্রেফতারের প্রক্রিয়া এবং ইতিহাস

২০২১ সালের নভেম্বরে সিআইডি ছয়জন প্রধান মানব পাচারকারীকে ধরার জন্য ইন্টারপোলের সহযোগিতা চেয়েছিল। তাদের মধ্যে নাজরুল ইসলাম মোল্লা অন্যতম। বাকি পাঁচজন হলেন মিন্টু মিয়া, স্বপন, তানজিরুল, জাফর ইকবাল ও শাহাদত হোসেন। নোটিশ জারির পর পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়ার পর তাঁকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে।

গতকাল পর্যন্ত ইন্টারপোলের সাইটে রেড নোটিশভুক্ত বাংলাদেশি নাগরিকদের তালিকা অনুসারে নাজরুলের পরিচয় লেখা আছে। তিনি মাদারীপুরের বাসিন্দা। সেখানে তাঁর ছবিও রয়েছে। জন্ম হয়েছিল ১৯৭৭ সালের ৪ মে।

ইতিমধ্যে সিআইডি তিনটি মামলা করেছিল লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করে মানব পাচারের ঘটনার বিরুদ্ধে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও ২৩টি মামলা হয়। তাতে আসামি হয়েছেন ২৯৯ জন। গত ৫ বছরে মানব পাচার প্রতিরোধ টিমের হাতে ৩৪৪ জন বাংলাদেশি গ্রেফতার হয়েছেন।

প্রত্যাবাসন এবং সম্পর্কে তথ্য

সর্বশেষ গত

Leave a Comment