News

জ্বালানি খাতে বাংলাদেশকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস আরব আমিরাতের | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

7bb504b7-4edd-42f8-a1bc-72f90e61f222-0

আরব আমিরাতের জ্বালানি খাতে বাংলাদেশকে সহযোগিতা আশ্বাস দেয়

Patrikajournal.com – জ ব ল ন খ ত ব – বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে আরব আমিরাতের সহযোগিতা আশ্বাস দেয় এমন একটি বৈঠক বৃহস্পতিবার দুপুরে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ আলী আল-হামুদী এবং বাংলাদেশের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত সাক্ষাৎ করেন। আলোচনার মাধ্যমে দুই দেশের জ্বালানি খাতে সম্পর্ক গভীর করার জন্য সহযোগিতা সূচনা করা হয়। আরব আমিরাত বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে আবিষ্কার এবং উন্নয়নের জন্য গুরুত্ব দেয়।

বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভূমিকা

বাংলাদেশের জ্বালানি খাত বর্তমানে বিশ্ববাজারের স্থিতিশীলতা ও দাম পরিবর্তনের মুখে পড়েছে। এ সময় সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ আলী আল-হামুদী বলেন যে বাংলাদেশ জ্বালানি খাতে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা অর্জনের দিকে এগিয়ে চলছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে জ্বালানি খাতে সহযোগিতা দ্বারা বাংলাদেশ গ্রিন হাইড্রোজেন ও গ্রিন অ্যামোনিয়াতে পরিবর্তনের জন্য সরকারের সহযোগিতা আশা করছে।

আলোচনায় এসিট মার্কিট প্রতিষ্ঠা, স্বয়ংক্রিয় সাব-স্টেশন ও বন্দরের কাছাকাছি জ্বালানি বাঙ্কানিং সুবিধার উন্নয়নে সহায়তা করার প্রস্তাব জানানো হয়। রাষ্ট্রদূত বলেন যে আরব আমিরাতের জ্বালানি খাতে বাংলাদেশের স্বার্থ প্রাথমিক পরিচিতি হিসেবে গৃহীত হয়েছে। এ সহযোগিতার মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক গ্রিন জ্বালানি সম্পদ সংগ্রহে গুরুত্ব দেয়।

জ্বালানি খাতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিশেষ প্রস্তাব

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম বলেন যে বাংলাদেশ জ্বালানি খাতে আরব আমিরাতের সম্পর্ক অর্জনের জন্য সুবিধার জন্য প্রস্তুত। তিনি উল্লেখ করেন যে বিশ্ববাজারে তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্যের দাম বৃদ্ধি বা আকস্মিক পরিবর্তনের মুখে পড়ে বাংলাদেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতের সহযোগিতার ভিত্তিতে বিশ্বাস করছে।

বাংলাদেশ ফার্স্ট নীতির মাধ্যমে বাংলাদেশ জ্বালানি খাতে গ্রিন হাইড্রোজেন ও গ্রিন অ্যামোনিয়া উন্নয়নে আগ্রহ প্রকাশ করে। রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ আলী আল-হামুদী এ সহযোগিতার মাধ্যমে কার্বন নির্গমন হ্রাস করা ও জ্বালানি খাতে প্রযুক্তি আপগ্রেডেশনের জন্য প্রস্তাব দেন।

আলোচনায় বাংলাদেশের জ্বালানি খাত গৃহীত সহযোগিতার কারণে প্রযুক্তি ও আমদানি ব্যবস্থার উন্নয়নে এগিয়ে চলছে। বিশেষ করে অপরিশোধিত তেল এবং পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানি বাংলাদেশের স্থায়ী সরবরাহের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের আগ্রহ প্রকাশ করা হয়। তিনি উল্লেখ করেন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *