ন ক সট ভ ঞ চ: হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগ
ন ক সট ভ ঞ চ র – বাংলাদেশে ক্রিপ্টোকারেন্সি বাণিজ্য ও অনলাইন জুয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও ডিজিটাল মাফিয়া খ্যাত সৈয়দ আব্দুল্লাহ জায়েদ নেক্সট ভেঞ্চার ও ফান্ডেড নেক্সটের মাধ্যমে হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করছেন। তিনি আইনের বাইরে অবৈধ কর্মকাণ্ডে সম্প্রদায়ের বিশেষ প্রভাব ব্যবহার করছেন।
বেআইনি কর্মকাণ্ডের প্রমাণ
প্রতিদিন বাংলাদেশ প্রতিদিন খবরে জানানো হয়েছে যে জায়েদ রাজধানীর বাড্ডায় অবস্থিত অফিস পরিচালনা করছেন। এখনও তিনি বেশ কয়েকটি দেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা করছেন যার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি পেয়েছেন না। হাজার কোটি টাকা পাচারের সাথে জড়িত আছেন সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
খালাস প্রতিষ্ঠানের উত্থান
তিনি ২০১৫ সালে নেক্সট ভেঞ্চার প্রতিষ্ঠা করেন। আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠান হিসেবে শুরু করলেও কয়েক বছরে তিনি ফরেক্স ও ক্রিপ্টোকারেন্সি বাণিজ্যে সম্প্রসারণ করেন। তিনি ২০২২ সালে ফান্ডেড নেক্সট প্রতিষ্ঠা করেন। এই প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম রয়েছে আজমান ও মালয়েশিয়া সহ বিশ দেশে।
গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে যে তিনি সাইপ্রাস ও হংকং সহ বেশ কয়েকটি দেশে ক্রিপ্টোকারেন্সি বাণিজ্যের মাধ্যমে হাজার কোটি টাকা নেক্সট ভেঞ্চার ও ফান্ডেড নেক্সটের মাধ্যমে বিদেশে পাচার করছেন। আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তিনি ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন বিবেচিত হবে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে যে তিনি ক্রিপ্টোকারেন্সি বাণিজ্য ও ফরেক্স ট্রেডিং এসব কাজে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে অনুমতি নেননি। এ কারণে হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচারের স্থাপন করছেন নেক্সট ভেঞ্চার ও ফান্ডেড নেক্সটের মাধ্যমে।
এ ঘটনায় বেশ কয়েকটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায় যে তিনি সাইপ্রাস ও হংকং সহ বেশ কয়েকটি দেশে বেআইনি অপকর্ম চালাচ্ছেন। এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের নেতাদের আওয়ামী লীগ সরকার নিষ্প্রতিবাদ হয়েছে।
এ বিষয়ে বিশেষ আইন লঙ্ঘন করে অর্থ পাচার হিসেবে নেক্সট ভ
