নদীতে মিলল নিখোঁজ ছাত্রীর লাশ
ন খ জ র স ত দ – নিখোঁজের সাত দিন পর বাংলাদেশের ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলায় এক শিক্ষার্থী ছাত্রী ফারহানা ফাতেমা (১৪) গতকাল সকালে ধলেশ্বরী নদী থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি কেরানীগঞ্জ ইউনিয়নের মিঠাপুর এলাকার ফারুক মোল্লার মেয়ে। এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় নদীতে লাশ উদ্ধারের পর থেকে তার পরিবার আরও অস্থির হয়ে আছে। নিখোঁজ ছাত্রীর লাশ নদীতে মিলেছে কিন্তু এর পিছনে কী ঘটেছে তা এখনও অনিশ্চিত।
নিখোঁজ ছাত্রীর পরিবারের ভাবনা
ফারহানা ফাতেমার নিখোঁজ ছাত্রী লাশ নদীতে মিললের আগে তার পরিবার দীর্ঘ সাপ্তাহিক খোঁজ খবর চালিয়েছিল। গত ৩০ মে সন্ধ্যায় তার মা তাকে কেরানীগঞ্জ ইউনিয়নের একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষা গ্রহণ করতে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ ছাত্রী লাশ নদীতে মিললে পরিবার তার কোনো অনুমান বা ধারণা ছাড়াই সত্য গ্রহণ করতে হয়। তার নিখোঁজ ছাত্রী লাশ নদীতে মিললে পরিবার মায়ের কাছে আরও বেশি হতাশ হয়েছে।
নিখোঁজ ছাত্রী লাশ নদীতে মিললের পর থেকে তার পরিবার দুঃখে কাঁদছে। স্থানীয় সংবাদপত্রে নিখোঁজ ছাত্রী লাশ নদীতে মিললের খবর প্রকাশ করা হয়। কেরানীগঞ্জ ইউনিয়নে একটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন ফারহানা ফাতেমা। সেই বিদ্যালয়ের স্থানীয় সদস্যরা নিখোঁজ ছাত্রী লাশ নদীতে মিললের ঘটনায় বিশেষ উদ্বিগ্ন।
নদী লাশ উদ্ধার প্রক্রিয়া
নিখোঁজ ছাত্রী লাশ নদীতে মিললের সময় স্থানীয় মানুষ এবং পুলিশ তল্লাশি চালিয়েছিল। তার মোবাইল ফোন ও বোরকার ওড়না নদীতে পাওয়া হয় গত সোমবার। নিখোঁজ ছাত্রী লাশ নদীতে মিললে তার কোনো অপরাধীর হাতে পড়েছে বলে আশঙ্কা হয়। স্থানীয় সাংবাদিকদের পরামর্শ দিয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তারা যে নিখোঁজ ছাত্রী লাশ নদীতে মিললে এখনও অনুসন্ধান চালিয়ে আছে।
নিখোঁজ ছাত্রী লাশ নদীতে মিললের পর স্থানীয় মানুষ অবাক হয়েছে। কেরানীগঞ্জ উপজেলার পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা নিখোঁজ ছাত্রী লাশ নদীতে মিললের পর আরও বেশি চিন্তিত হয়েছে। তার নিখোঁজ ছাত্রী লাশ নদীতে মিললের খবর কেরানীগঞ্জ ইউনিয়নের স্থানীয় সদস্যদের কাছে ছড়িয়েছে। প্রতিদিন নিখোঁজ ছাত্রী লাশ নদীতে মিললে নিখোঁজ ছাত্রীর পরিবার গুরুতর ক্ষতির ধারণা করেছে।
নিখোঁজ ছাত্রী লাশ নদীতে মিললে পর সেই প্রতিক্রিয়ায় ঢাকার এলাকার বাসিন্দারা চিন্তিত হয়েছে। কেরানীগঞ্জ �
