১০০ টাকার বেশি বর্জ্য ফি নেওয়া হচ্ছে কি না, তদারকি কমিটি করছে
১০০ ট ক র ব শ বর – বর্জ্য সংগ্রহের প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত ফি আদায়ের সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে চলছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এ বিষয়ে সংশোধনী করেছে। মাসিক বর্জ্য ফি বিষয়ে পিসিএসপি কর্মকর্তারা প্রতিবেদন দিতে বাধ্য হবে। এ পরিবর্তন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার গতিশীলতা এবং সাধারণ মানুষের সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে করা হয়েছে।
ফি আদায়ের অধিকার বিভাজন
এখন বাসাবাড়ি থেকে বর্জ্য সংগ্রহের জন্য মাসে ১০০ টাকা ফি ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু অনেক এলাকায় বাসিন্দাদের কাছ থেকে এই ফি চার কোটি টাকা বেশি সংগ্রহ করা হচ্ছে সে বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা হচ্ছে। এ বিষয়ে নিরাপত্তি বাড়ানোর জন্য পিসিএসপি কর্মকর্তাদের অঞ্চলভিত্তিক তদারকি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
অঞ্চলভিত্তিক আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তারা সাপ্তাহিক পরিদর্শন করবেন। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিদিন বর্জ্য সংগ্রহ করছে কি না তা যাচাই করা হবে। যদি কোনো অপরাধ চিহ্নিত হয় তবে প্রমাণ সহ প্রতিবেদন দিতে হবে।
সংগ্রহের প্রক্রিয়া সম্পর্কে সংশোধন
বর্জ্য ফি আদায় বিষয়ে নিরাপত্তি বাড়ানোর জন্য সংগ্রহ কাজের গতিশীলতা সম্পর্কে নতুন প্রক্রিয়া প্রবর্তন করা হয়েছে। পিসিএসপি কর্মকর্তাদের তদারকি করা হবে এবং অপরাধ সম্পর্কে জানানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। যাচাইয়ের জন্য কমিটি সম্পূর্ণ স্বাধীন হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে।
ডিএসসিসি বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উদ্দেশ্যে নতুন সংগঠন তৈরি করেছে। কমিটি কর্মকর্তারা এ বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে বাধ্য হবেন। স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে বলা হয়েছে, প্রতিদিন সংগ্রহের প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।
প্রতিবেদন গ্রহণ প্রক্রিয়া
অঞ্চলভিত্তিক কর্মকর্তাদের দ্বারা নির্ধারিত ফি আদায়ের বিষয়ে প্রতিবেদন দাওয়া হবে সাত দিনের মধ্যে। বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলার মাধ্যমে বিশদ তদারকি করা হবে। বর্জ্য ফি নেওয়া হচ্ছে কি না তা তদারকি করার বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছ
